
চুয়াডাঙ্গার দশ মাইল এলাকায় অবস্থিত আক্কাস লেক ভিউ পার্কে এক যুবক ও এক যুবতীকে কেন্দ্র করে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যার দিকে ওই যুবক ও যুবতী পার্কে ঘুরতে যান। একপর্যায়ে তারা পার্কের বাথরুম সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন যুবক তাদের গতিবিধি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ মোবাইল ফোনে তাদের ভিডিও ধারণ করেন। পরে কয়েকদিন পর সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি দ্রুত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
এ বিষয়ে আক্কাস লেক ভিউ পার্কের ম্যানেজার বলেন,
“আমাদের পার্কের সুনাম রয়েছে। এখানে কোনো ধরনের আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে পার্কে বেড়াতে আসেন। ওই দিন একটি ছেলে ও একটি মেয়ে পার্কে এসেছিল। মেয়েটি বাথরুমে গিয়েছিল এবং ছেলেটি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল। কিছু যুবক তাদের সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়। সম্ভবত ওই সময় কেউ ভিডিও ধারণ করে রেখেছিল। তবে সেখানে কোনো আপত্তিকর ঘটনা ঘটেনি।”
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত সত্যতা, ভিডিও ধারণের উদ্দেশ্য এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় অনেকেই মনে করছেন, কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত না থাকলে তার ব্যক্তিগত মুহূর্ত ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা অনুচিত। তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় সকলকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে ভিডিওটি কীভাবে ধারণ ও প্রচার করা হয়েছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।




















