, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা,প্রতিহত বিজিবির কার্পাসডাঙ্গা ইউপি নির্বাচন তরুণ ভোটারদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস নবনিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফকে দর্শনা পৌর বিএনপি’র শুভেচ্ছা দর্শনা সীমান্তে ঘাস কাটতে যাওয়া বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ চুয়াডাঙ্গায় মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা চুয়াডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু,এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া চুয়াডাঙ্গার আক্কাস লেক ভিউ পার্কে যুবক-যুবতীকে ঘিরে ভিডিও ভাইরাল, এলাকায় চাঞ্চল্য চুয়াডাঙ্গায় মাথাবিহীন অর্ধগলিত দেহাবশেষ নিখোঁজ রাফিনের বলে পরিবারের দাবি চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গয় দুই ভূয়া কবিরাজ গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গায় মাথাবিহীন অর্ধগলিত দেহাবশেষ নিখোঁজ রাফিনের বলে পরিবারের দাবি

  • প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ৫ পড়া হয়েছে

 

 

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালের পাশে মাথাবিহীন অর্ধগলিত দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেহের উপরের অংশ না থাকায় এবং মরদেহের বেশিরভাগ অংশ পচে যাওয়ায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১১টার দিকে স্থানীয়রা খালের পাশে দেহাবশেষ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের কোমর থেকে নিচের অংশ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তি একজন পুরুষ। তার পরনে জিন্স প্যান্ট ছিল। তবে মরদেহের অবস্থা অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দেহের উপরের অংশ পচে-গলে নষ্ট হয়ে গেছে অথবা হত্যার পর মরদেহ দ্বিখণ্ডিত করে আলাদা স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, গত ৫ জুন আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের বাসিন্দা রাফিন (২২) ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতেই একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অপহরণের দাবি করা হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়।

রাফিনের দাদি আমেনা বেগম বলেন, মুক্তিপণের দাবির বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় রাফিনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও সেই সুযোগ পাননি।

রাফিনের স্বজনরা দাবি করছেন, কুতুবপুরের অর্জুন খাল থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষটি তার। তবে পুলিশ বলছে, এখনো উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা দেহাবশেষটি রাফিনের বলে দাবি করছেন। তবে ময়নাতদন্ত, আলামত যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে।’

আজ শনিবার সকালে দেহাবশেষটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা,প্রতিহত বিজিবির

চুয়াডাঙ্গায় মাথাবিহীন অর্ধগলিত দেহাবশেষ নিখোঁজ রাফিনের বলে পরিবারের দাবি

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে

 

 

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালের পাশে মাথাবিহীন অর্ধগলিত দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেহের উপরের অংশ না থাকায় এবং মরদেহের বেশিরভাগ অংশ পচে যাওয়ায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১১টার দিকে স্থানীয়রা খালের পাশে দেহাবশেষ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের কোমর থেকে নিচের অংশ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তি একজন পুরুষ। তার পরনে জিন্স প্যান্ট ছিল। তবে মরদেহের অবস্থা অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দেহের উপরের অংশ পচে-গলে নষ্ট হয়ে গেছে অথবা হত্যার পর মরদেহ দ্বিখণ্ডিত করে আলাদা স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, গত ৫ জুন আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের বাসিন্দা রাফিন (২২) ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতেই একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অপহরণের দাবি করা হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়।

রাফিনের দাদি আমেনা বেগম বলেন, মুক্তিপণের দাবির বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় রাফিনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও সেই সুযোগ পাননি।

রাফিনের স্বজনরা দাবি করছেন, কুতুবপুরের অর্জুন খাল থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষটি তার। তবে পুলিশ বলছে, এখনো উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা দেহাবশেষটি রাফিনের বলে দাবি করছেন। তবে ময়নাতদন্ত, আলামত যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে।’

আজ শনিবার সকালে দেহাবশেষটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।