, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় খালের মাটি ভাটায় বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ৩১ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ দামুড়হুদায় মোবাইল কোর্টে দুই মাদকসেবীর ২ বছরের কারাদণ্ড; মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান  চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য চুয়াডাঙ্গার ছোটশলুয়া গ্রামে বজ্রপাতে শের আলী নামের এক কৃষকের মৃ’ত্যু চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় বিসিকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল চালিয়ে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় দুই তরুণ নিহত, আহত ১ চুয়াডাঙ্গা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

চুয়াডাঙ্গায় খালের মাটি ভাটায় বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

  • প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে
  • ৩ পড়া হয়েছে

 

 

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বেলগাছি ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের পাড়ের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক মাটি ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক্টর ও একটি লোডার জব্দ করা হয়।

গতকাল সকালে উপজেলার ফরিদপুর দোয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনুর আক্তার। জরিমানাপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম ওই গ্রামের পুটিল মণ্ডলের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি গত ১১ এপ্রিল বেলগাছি ইউনিয়নে প্রায় সাত কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্প অনুযায়ী খননকৃত মাটি খালের দুই পাশে পাড় নির্মাণে ব্যবহারের কথা ছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই মাটি যথাযথভাবে কাজে না লাগিয়ে একপাশে ফেলে রাখা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, পরে শরিফুল ইসলাম এক্সকাভেটর মেশিন ব্যবহার করে ওই মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি শুরু করেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করেন এবং মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন জব্দ করেন।

এদিকে, খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, যেখানে পাড় নির্মাণের প্রয়োজন ছিল, সেখানে অনেক জায়গায় পাড় দেওয়া হয়নি। এছাড়া কয়েকটি স্থানে খাল নির্ধারিত পাঁচ ফুট গভীরতায় খনন করা হয়নি, আবার কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খনন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, খননকৃত মাটি বিক্রির সুযোগ তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে এসব অনিয়ম করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকল্পের কাজ এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় খালের মাটি ভাটায় বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় খালের মাটি ভাটায় বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে

 

 

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বেলগাছি ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের পাড়ের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক মাটি ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক্টর ও একটি লোডার জব্দ করা হয়।

গতকাল সকালে উপজেলার ফরিদপুর দোয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনুর আক্তার। জরিমানাপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম ওই গ্রামের পুটিল মণ্ডলের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি গত ১১ এপ্রিল বেলগাছি ইউনিয়নে প্রায় সাত কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্প অনুযায়ী খননকৃত মাটি খালের দুই পাশে পাড় নির্মাণে ব্যবহারের কথা ছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই মাটি যথাযথভাবে কাজে না লাগিয়ে একপাশে ফেলে রাখা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, পরে শরিফুল ইসলাম এক্সকাভেটর মেশিন ব্যবহার করে ওই মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি শুরু করেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করেন এবং মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন জব্দ করেন।

এদিকে, খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, যেখানে পাড় নির্মাণের প্রয়োজন ছিল, সেখানে অনেক জায়গায় পাড় দেওয়া হয়নি। এছাড়া কয়েকটি স্থানে খাল নির্ধারিত পাঁচ ফুট গভীরতায় খনন করা হয়নি, আবার কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খনন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, খননকৃত মাটি বিক্রির সুযোগ তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে এসব অনিয়ম করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকল্পের কাজ এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী