, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনা পৌর বাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা,হাবিবুর রহমান বুলেট দর্শনা পৌর বাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ‘আলহাজ্ব মশিউর রহমান রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল চুয়াডাঙ্গায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদযাপন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ চুয়াডাঙ্গায় তেল পাম্পে বিশৃঙ্খলা করার অপরাধে এক যুবকের কারাদণ্ড দর্শনার সাড়াবাড়িয়া বাড়ির আঙিনায় গর্তের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু দর্শনায় ১০ টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক দর্শনায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা দামুড়হুদায় পাওয়ার টিলার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলির, শেষ দিন বিএনপি কার্যালয়ে উপচে পড়া ভিড় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে ৪ টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক

রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল চুয়াডাঙ্গায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদযাপন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

  • প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
  • ১১ পড়া হয়েছে

 

শিমুল রেজা,
নতুন সূর্যের আবাহনে বাঙালির হৃদয়ে আজ বেজে উঠেছে নতুনের জয়গান। পুরনো বছরের সব গ্লানি আর জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে আনন্দ-উৎসবে মেতেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম—সবখানেই বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশের স্বাদ আর বর্ণিল শোভাযাত্রায় বরণ করে নেওয়া হচ্ছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে। বাঙালির এই চিরায়ত মিলনমেলায় আজ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই শামিল হয়েছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার নতুন শপথে।,পহেলা বৈশাখ বাঙালির কাছে শুধুই নতুন বছরের শুরু নয়, এটি নিজের অস্তিত্ব ও আত্মপরিচয়কে পুনরায় উচ্চারণের দিন। এটি যেমনি আনন্দের দিন, ঠিক তেমনিভাবে নিজের শিকড়কে অনুভব করার দিনও। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে।বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জেলার সর্বস্তরের মানুষ নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

চুয়াডাঙ্গা চাঁদমারি মাঠে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টায় জাতীয় সংগীত ও এসো হে বৈশাখ গানের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮ টায় চাঁদমারি মাঠ থেকে সরকারি কলেজের উদ্দেশ্যে এক বিশাল বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটির চুয়াডাঙ্গা কোর্টমোড়, শহীদ হাসান চত্বর, পৌরসভা মোড়, কবরী রোড হয়ে সরকারি কলেজে গিয়ে শেষ হয়। চুয়াডাঙ্গার মোট ৫১টি সংগঠন এ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে। পরে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্সী আবু সাইফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এই পহেলা বৈশাখ। বর্তমানে কালের পরিক্রমায় আমাদের যে সকল সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে তা যেন আমরা বুকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশগ্রহণ করতে পারি। যে সকল খেলা বর্তমানে হারিয়ে গেছে যেমন লাঠি খেলা, হাডুডু এ সকল খেলা বাঁচিয়ে রেখে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি.এম.তারিক উজ জামান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারি কমিশনার আবদুল্লাহ আল নাঈম, সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমান, সহকারী কমিশনার মির্জা শহীদুল, এবি পার্টির জেলা সভাপতি আলমগীর হোসেন, জেলা জাসাসের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিমসহ বিভিন্ন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলা নববর্ষের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্য, সমপ্রীতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। উৎসবমুখর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার মানুষ নতুন বছরকে স্বাগত জানায় আনন্দ ও প্রত্যাশার নতুন আলোয়।

জনপ্রিয়

দর্শনা পৌর বাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা,হাবিবুর রহমান বুলেট

রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল চুয়াডাঙ্গায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদযাপন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

 

শিমুল রেজা,
নতুন সূর্যের আবাহনে বাঙালির হৃদয়ে আজ বেজে উঠেছে নতুনের জয়গান। পুরনো বছরের সব গ্লানি আর জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে আনন্দ-উৎসবে মেতেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম—সবখানেই বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশের স্বাদ আর বর্ণিল শোভাযাত্রায় বরণ করে নেওয়া হচ্ছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে। বাঙালির এই চিরায়ত মিলনমেলায় আজ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই শামিল হয়েছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার নতুন শপথে।,পহেলা বৈশাখ বাঙালির কাছে শুধুই নতুন বছরের শুরু নয়, এটি নিজের অস্তিত্ব ও আত্মপরিচয়কে পুনরায় উচ্চারণের দিন। এটি যেমনি আনন্দের দিন, ঠিক তেমনিভাবে নিজের শিকড়কে অনুভব করার দিনও। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে।বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জেলার সর্বস্তরের মানুষ নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

চুয়াডাঙ্গা চাঁদমারি মাঠে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টায় জাতীয় সংগীত ও এসো হে বৈশাখ গানের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮ টায় চাঁদমারি মাঠ থেকে সরকারি কলেজের উদ্দেশ্যে এক বিশাল বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটির চুয়াডাঙ্গা কোর্টমোড়, শহীদ হাসান চত্বর, পৌরসভা মোড়, কবরী রোড হয়ে সরকারি কলেজে গিয়ে শেষ হয়। চুয়াডাঙ্গার মোট ৫১টি সংগঠন এ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে। পরে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্সী আবু সাইফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এই পহেলা বৈশাখ। বর্তমানে কালের পরিক্রমায় আমাদের যে সকল সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে তা যেন আমরা বুকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশগ্রহণ করতে পারি। যে সকল খেলা বর্তমানে হারিয়ে গেছে যেমন লাঠি খেলা, হাডুডু এ সকল খেলা বাঁচিয়ে রেখে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি.এম.তারিক উজ জামান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারি কমিশনার আবদুল্লাহ আল নাঈম, সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমান, সহকারী কমিশনার মির্জা শহীদুল, এবি পার্টির জেলা সভাপতি আলমগীর হোসেন, জেলা জাসাসের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিমসহ বিভিন্ন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলা নববর্ষের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্য, সমপ্রীতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। উৎসবমুখর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার মানুষ নতুন বছরকে স্বাগত জানায় আনন্দ ও প্রত্যাশার নতুন আলোয়।