, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনা থানার নতুন ওসি অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের যোগদান দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় অ্যাপোলো ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় রুমে ঘুমাতে গিয়ে সাড়া নেই, পরে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ‘তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি’য় উৎপাদিত দেশে অ্যালকোহলে লিটার প্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন প্রশাসক

চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ জৈব সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

  • প্রকাশের সময় : ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২৩ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায় অবস্থিত মা এগ্রো জৈব সার কারখানায় অবৈধভাবে জৈব সার উৎপাদনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন একটি অনুমোদনহীন কারখানা লাইসেন্স ছাড়াই জৈব সার উৎপাদন করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কারখানায় বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে রঙিন ব্যাগ প্রস্তুত করে অসৎ উপায়ে সার বাজারজাত করা হচ্ছিল।সংবাদ পেয়ে কৃষি বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে লাইসেন্স ব্যতীত জৈব সার উৎপাদন ও বিক্রির অপরাধে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারখানাটির সব ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স গ্রহণ না করা পর্যন্ত সার উৎপাদন ও বিপণন না করার কড়া নির্দেশ দেন।
তবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর ঘটনাস্থলে থাকা জৈব সার জব্দ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে এসব সার বিভিন্ন মোড়কে প্যাকেট করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে করে অবৈধভাবে উৎপাদিত সারগুলো নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, এর ফলে সাধারণ কৃষকরা ভেজাল সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এবং এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ সার জব্দসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

দর্শনা থানার নতুন ওসি অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের যোগদান

চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ জৈব সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

প্রকাশের সময় : ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায় অবস্থিত মা এগ্রো জৈব সার কারখানায় অবৈধভাবে জৈব সার উৎপাদনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন একটি অনুমোদনহীন কারখানা লাইসেন্স ছাড়াই জৈব সার উৎপাদন করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কারখানায় বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে রঙিন ব্যাগ প্রস্তুত করে অসৎ উপায়ে সার বাজারজাত করা হচ্ছিল।সংবাদ পেয়ে কৃষি বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে লাইসেন্স ব্যতীত জৈব সার উৎপাদন ও বিক্রির অপরাধে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারখানাটির সব ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স গ্রহণ না করা পর্যন্ত সার উৎপাদন ও বিপণন না করার কড়া নির্দেশ দেন।
তবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর ঘটনাস্থলে থাকা জৈব সার জব্দ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে এসব সার বিভিন্ন মোড়কে প্যাকেট করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে করে অবৈধভাবে উৎপাদিত সারগুলো নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, এর ফলে সাধারণ কৃষকরা ভেজাল সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এবং এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ সার জব্দসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।