, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ব্রিফিং চুয়াডাঙ্গায় সড়কে ডাকাতির চেষ্টা,ধাওয়া করে ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার,ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার দামুড়হুদায় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সচেতন যুবসমাজ দর্শনা সীমান্তে স্বর্ণ চোরাকারবারি গডফাদার সামাদ’র অদৃশ্য দাপট,এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে চুয়াডাঙ্গায় খালের মাটি ভাটায় বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ৩১ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ দামুড়হুদায় মোবাইল কোর্টে দুই মাদকসেবীর ২ বছরের কারাদণ্ড; মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান  চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য চুয়াডাঙ্গার ছোটশলুয়া গ্রামে বজ্রপাতে শের আলী নামের এক কৃষকের মৃ’ত্যু

দামুড়হুদায় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সচেতন যুবসমাজ

  • প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে
  • ২৩ পড়া হয়েছে

 

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অবস্থান আরও দৃঢ় হচ্ছে। মাদকের ভয়াল বিস্তার রোধে যুব সমাজকে রক্ষার্থে সচেতন এলাকাবাসীর উদ্যোগে পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২০ জুন ) তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।আটককৃতরা হলো, উপজেলার নতিপোতা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে খায়রুল হাসান পুলক (৪০) এবং দলকা-লক্ষ্মীপুর গয়েশপুর মাঠপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে বিদ্যুৎ হোসেন (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে খায়রুল হাসান পুলককে এবং শনিবার পৃথকভাবে বিদ্যুৎ হোসেনকে নিজ নিজ এলাকা থেকে আটক করেন স্থানীয় সচেতন জনগণ। পরে তাদের কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এলাকাবাসী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং গতকাল শনিবার চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগই সবচেয়ে বড় শক্তি। মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী ও মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে। এলাকাবাসীর এমন সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার

দামুড়হুদায় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সচেতন যুবসমাজ

প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে

 

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অবস্থান আরও দৃঢ় হচ্ছে। মাদকের ভয়াল বিস্তার রোধে যুব সমাজকে রক্ষার্থে সচেতন এলাকাবাসীর উদ্যোগে পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২০ জুন ) তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।আটককৃতরা হলো, উপজেলার নতিপোতা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে খায়রুল হাসান পুলক (৪০) এবং দলকা-লক্ষ্মীপুর গয়েশপুর মাঠপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে বিদ্যুৎ হোসেন (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে খায়রুল হাসান পুলককে এবং শনিবার পৃথকভাবে বিদ্যুৎ হোসেনকে নিজ নিজ এলাকা থেকে আটক করেন স্থানীয় সচেতন জনগণ। পরে তাদের কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এলাকাবাসী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং গতকাল শনিবার চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগই সবচেয়ে বড় শক্তি। মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী ও মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে। এলাকাবাসীর এমন সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।