, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনা থানার নতুন ওসি অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের যোগদান দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় অ্যাপোলো ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় রুমে ঘুমাতে গিয়ে সাড়া নেই, পরে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ‘তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি’য় উৎপাদিত দেশে অ্যালকোহলে লিটার প্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন প্রশাসক

কুড়ুলগাছি যুবদল নেতার বিরুদ্ধে , ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৪ পড়া হয়েছে

শিমুল রেজা
দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি যুবদল নেতা মোঃ রানা’র বিরুদ্ধে , ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন যুবদলের নেতা এবং বাজার পাড়া গ্রামের মৃত মতলেব আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ অনুযায়ী, গেল বছরের জুলাই মাসের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রানা আলীর জীবনযাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন আসে। এর পর থেকেই তিনি একের পর এক অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের মাঠপাড়া গ্রামের নাজির আহমেদের ছেলে ভুক্তভোগী বাবুর আলী জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কুড়ুলগাছি আদর্শ কৃষক সমবায় সমিতির সমবায় লি: অফিসের সামনে দিনদুপুরে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে যুবদল নেতা রানা নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র অতর্কিত হামলা চালায় আরোহী কাছে থাকা নগদ ২৫০০ টাকা ও ডায়াং ৫০ সিসি মডেলের মোটরসাইকেল লুট করে নিয়ে গেছে ছিনতাই কারীরা।

অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে মোটরসাইকেলটি বিক্রি করে টাকা ভাগ করে নেবে রানা ও তাঁর সহযোগীরা। বাবুর আলী জানান, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর রানা মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

এই ঘটনার পর বাবুর আলী দর্শনা থানায় হত্যাচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের একটি অভিযোগে দায়ের করেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, অভিযোগ হলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো অগ্রগতি বা উদ্ধার তৎপরতা চোখে পড়েনি।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘রানা নেতৃত্বে চোর ও ছিনতাইকারীদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র পুরো কুড়ুলগাছি ইউনিয়নজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তার ওপর নেমে আসে নির্যাতন।’

চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে যারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, চুরি, ছিনতাই ও মানুষের ওপর জুলুম করবে তাদের স্থান বিএনপিতে নেই। ইতোমধ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় তা জানিয়ে দিয়েছেন বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীদের। এভাবে যারা বিএনপি, যুবদলের নাম ব্যবহার করে অপকর্মে লিপ্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর ব্যবস্হা নেয়া হবে।

এদিকে এই ঘটনার পর,
দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির সদস্য ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশি নাহারুল ইসলাম মাস্টার। বিএনপি’র নেতা শরীফ উদ্দীন, ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান। যুবদল নেতা রানাকে একাধিকবার ফোন করে মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়ার কথা বললেও মোটরসাইকেলটি এখনো পর্যন্ত ফেরত দেয়নি রানা।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, দেশে কি কোনো আইন নেই, ভুক্তভোগীকে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নিকটস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্প ও থানায় অভিযোগ দেন বিষয়টি আমি দেখেছি।

এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘ একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা

জনপ্রিয়

দর্শনা থানার নতুন ওসি অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের যোগদান

কুড়ুলগাছি যুবদল নেতার বিরুদ্ধে , ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

শিমুল রেজা
দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি যুবদল নেতা মোঃ রানা’র বিরুদ্ধে , ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন যুবদলের নেতা এবং বাজার পাড়া গ্রামের মৃত মতলেব আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ অনুযায়ী, গেল বছরের জুলাই মাসের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রানা আলীর জীবনযাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন আসে। এর পর থেকেই তিনি একের পর এক অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের মাঠপাড়া গ্রামের নাজির আহমেদের ছেলে ভুক্তভোগী বাবুর আলী জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কুড়ুলগাছি আদর্শ কৃষক সমবায় সমিতির সমবায় লি: অফিসের সামনে দিনদুপুরে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে যুবদল নেতা রানা নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র অতর্কিত হামলা চালায় আরোহী কাছে থাকা নগদ ২৫০০ টাকা ও ডায়াং ৫০ সিসি মডেলের মোটরসাইকেল লুট করে নিয়ে গেছে ছিনতাই কারীরা।

অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে মোটরসাইকেলটি বিক্রি করে টাকা ভাগ করে নেবে রানা ও তাঁর সহযোগীরা। বাবুর আলী জানান, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর রানা মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

এই ঘটনার পর বাবুর আলী দর্শনা থানায় হত্যাচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের একটি অভিযোগে দায়ের করেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, অভিযোগ হলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো অগ্রগতি বা উদ্ধার তৎপরতা চোখে পড়েনি।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘রানা নেতৃত্বে চোর ও ছিনতাইকারীদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র পুরো কুড়ুলগাছি ইউনিয়নজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তার ওপর নেমে আসে নির্যাতন।’

চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে যারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, চুরি, ছিনতাই ও মানুষের ওপর জুলুম করবে তাদের স্থান বিএনপিতে নেই। ইতোমধ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় তা জানিয়ে দিয়েছেন বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীদের। এভাবে যারা বিএনপি, যুবদলের নাম ব্যবহার করে অপকর্মে লিপ্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর ব্যবস্হা নেয়া হবে।

এদিকে এই ঘটনার পর,
দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির সদস্য ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশি নাহারুল ইসলাম মাস্টার। বিএনপি’র নেতা শরীফ উদ্দীন, ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান। যুবদল নেতা রানাকে একাধিকবার ফোন করে মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়ার কথা বললেও মোটরসাইকেলটি এখনো পর্যন্ত ফেরত দেয়নি রানা।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, দেশে কি কোনো আইন নেই, ভুক্তভোগীকে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নিকটস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্প ও থানায় অভিযোগ দেন বিষয়টি আমি দেখেছি।

এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘ একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা