, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় রুমে ঘুমাতে গিয়ে সাড়া নেই, পরে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ‘তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি’য় উৎপাদিত দেশে অ্যালকোহলে লিটার প্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় যুব সবুজ উদ্যোক্তাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার সব খাল খননে উদ্যোগ, উন্মুক্ত টেন্ডারে অংশ নিতে পারবেন সবাই

প্রধান শিক্ষককে ফাঁসানোর অভিযোগ: গাংনীতে এক ছাত্রীর চাঞ্চল্যকর ‘বিয়ের নাটক’

  • প্রকাশের সময় : ১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬২ পড়া হয়েছে

 

গাংনী মেহেরপুরঃ মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দশম শ্রেণির এক ছাত্রী নিজেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত ভিডিও এবং স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে ওই শিক্ষককে ‘ফাঁসিয়েছেন’ বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর মেয়েটি নিজেই লাইভে এসে প্রধান শিক্ষককে বিয়ে করার দাবি জানিয়েছে।

ভাইরাল ভিডিও ও লাইভ নাটক তার করা সম্পূর্ণ নাটক বলে জানাযায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐ ছাত্রী নিজেই তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ভিডিও এবং স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনা জানাজানি হলে উপজেলায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর মেয়েটি প্রকাশ্যে লাইভে এসে ঐ প্রধান শিক্ষককে বিয়ের করার কথা জানায়। ছাত্রীর হাসিমাখা চেহারা দেখে অনেকে মনে করছেন, একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই সে এই কাজটি করেছে।

দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক: দোষ কার? ছাত্রীটি দাবি করেছে, তাদের সম্পর্কটি দীর্ঘ চার বছরের। সে যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত, তখন থেকেই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই দীর্ঘ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এমন একটি সম্পর্কে কেবল পুরুষই এককভাবে দোষী হতে পারে না। উভয় পক্ষেরই এই বিষয়ে সমান দায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি দুজনের মধ্যেই বিয়ের আগ্রহ থাকত, তবে এমন একটি ব্যক্তিগত তথ্য প্রচারের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে নাটকীয় করে তোলার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এই ঘটনাটি অন্যান্য সকল নারীর সম্মানহানির কারণ হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন।

প্রশ্ন উঠেছে নারীর ‘প্রতারণার ফাঁদ’ নিয়ে, সম্প্রতি নারী কর্তৃক প্রতারণার ফাঁদ পাতার অভিযোগগুলো সমাজের উচ্চ মহল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই ঘটনা সেই উদ্বেগকেই আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক (ডিসি)—কেউই যেন এই ধরনের ফাঁদ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, কেন সম্পর্কটিকে সরল পথে না নিয়ে এসে এমন নাটকীয় ও মানহানিকর উপায়ে জনসমক্ষে আনা হলো?

গুঞ্জন উঠেছে ঐ মেয়ের এর আগেও অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিলো যা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়।

ঘটনাটি বর্তমানে এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, তা এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রধান শিক্ষককে ফাঁসানোর অভিযোগ: গাংনীতে এক ছাত্রীর চাঞ্চল্যকর ‘বিয়ের নাটক’

প্রকাশের সময় : ১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

 

গাংনী মেহেরপুরঃ মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দশম শ্রেণির এক ছাত্রী নিজেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত ভিডিও এবং স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে ওই শিক্ষককে ‘ফাঁসিয়েছেন’ বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর মেয়েটি নিজেই লাইভে এসে প্রধান শিক্ষককে বিয়ে করার দাবি জানিয়েছে।

ভাইরাল ভিডিও ও লাইভ নাটক তার করা সম্পূর্ণ নাটক বলে জানাযায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐ ছাত্রী নিজেই তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ভিডিও এবং স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনা জানাজানি হলে উপজেলায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর মেয়েটি প্রকাশ্যে লাইভে এসে ঐ প্রধান শিক্ষককে বিয়ের করার কথা জানায়। ছাত্রীর হাসিমাখা চেহারা দেখে অনেকে মনে করছেন, একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই সে এই কাজটি করেছে।

দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক: দোষ কার? ছাত্রীটি দাবি করেছে, তাদের সম্পর্কটি দীর্ঘ চার বছরের। সে যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত, তখন থেকেই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই দীর্ঘ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এমন একটি সম্পর্কে কেবল পুরুষই এককভাবে দোষী হতে পারে না। উভয় পক্ষেরই এই বিষয়ে সমান দায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি দুজনের মধ্যেই বিয়ের আগ্রহ থাকত, তবে এমন একটি ব্যক্তিগত তথ্য প্রচারের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে নাটকীয় করে তোলার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এই ঘটনাটি অন্যান্য সকল নারীর সম্মানহানির কারণ হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন।

প্রশ্ন উঠেছে নারীর ‘প্রতারণার ফাঁদ’ নিয়ে, সম্প্রতি নারী কর্তৃক প্রতারণার ফাঁদ পাতার অভিযোগগুলো সমাজের উচ্চ মহল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই ঘটনা সেই উদ্বেগকেই আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক (ডিসি)—কেউই যেন এই ধরনের ফাঁদ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, কেন সম্পর্কটিকে সরল পথে না নিয়ে এসে এমন নাটকীয় ও মানহানিকর উপায়ে জনসমক্ষে আনা হলো?

গুঞ্জন উঠেছে ঐ মেয়ের এর আগেও অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিলো যা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়।

ঘটনাটি বর্তমানে এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, তা এখন দেখার বিষয়।