, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় রুমে ঘুমাতে গিয়ে সাড়া নেই, পরে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ‘তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি’য় উৎপাদিত দেশে অ্যালকোহলে লিটার প্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় যুব সবুজ উদ্যোক্তাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার সব খাল খননে উদ্যোগ, উন্মুক্ত টেন্ডারে অংশ নিতে পারবেন সবাই

জীবননগর ভৈরর নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে তীব্র স্রোতে ভেঙে পড়ল সেতুর অংশ, আতঙ্কে নদীতীরের মানুষ

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৪ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ভৈরব নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় এবং প্রবল স্রোতের কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীব্র স্রোতের ধাক্কায় মনোহরপুর গ্রামের জোল মাঠ এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতুর অংশবিশেষ ভেঙে পড়েছে। এতে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং কৃষিজমি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্রোতের তীব্রতায় কৃষকদের বানানো জাগ পাট ভেসে গেছে এবং অনেক জমিতে পানি উঠে গেছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বিকেলে হঠাৎ স্রোতের গতি বেড়ে যায়। আতঙ্কে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যান। কেউ কেউ কৌতূহলবশত নদীর পাড়ে ভিড় করেন, কেউ বা স্রোতের মধ্যে মাছ ধরতে নামেন।

মনোহরপুর গ্রামের ফৌজিয়া আক্তার বলেন, “এ বছর অনেক বৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু নদীতে এমন স্রোত আগে দেখিনি। বিকেল থেকেই পানি বেড়েছে, এতে অনেক জমি তলিয়ে গেছে। কৃষকেরা বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।”

সন্তোষপুর গ্রামের আব্দুল হাই সিকদার জানান, দুপুরে সব কিছু স্বাভাবিক থাকলেও বিকেলের পরপরই নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে।

স্থানীয়দের ধারণা, উজানে ভারি বৃষ্টিপাত অথবা কোনো বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে এই হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, পানি বৃদ্ধির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আরও জমি ডুবে যাবে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

এ ঘটনার পরেও প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নিড়

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

জীবননগর ভৈরর নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে তীব্র স্রোতে ভেঙে পড়ল সেতুর অংশ, আতঙ্কে নদীতীরের মানুষ

প্রকাশের সময় : ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ভৈরব নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় এবং প্রবল স্রোতের কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীব্র স্রোতের ধাক্কায় মনোহরপুর গ্রামের জোল মাঠ এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতুর অংশবিশেষ ভেঙে পড়েছে। এতে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং কৃষিজমি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্রোতের তীব্রতায় কৃষকদের বানানো জাগ পাট ভেসে গেছে এবং অনেক জমিতে পানি উঠে গেছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বিকেলে হঠাৎ স্রোতের গতি বেড়ে যায়। আতঙ্কে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যান। কেউ কেউ কৌতূহলবশত নদীর পাড়ে ভিড় করেন, কেউ বা স্রোতের মধ্যে মাছ ধরতে নামেন।

মনোহরপুর গ্রামের ফৌজিয়া আক্তার বলেন, “এ বছর অনেক বৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু নদীতে এমন স্রোত আগে দেখিনি। বিকেল থেকেই পানি বেড়েছে, এতে অনেক জমি তলিয়ে গেছে। কৃষকেরা বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।”

সন্তোষপুর গ্রামের আব্দুল হাই সিকদার জানান, দুপুরে সব কিছু স্বাভাবিক থাকলেও বিকেলের পরপরই নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে।

স্থানীয়দের ধারণা, উজানে ভারি বৃষ্টিপাত অথবা কোনো বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে এই হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, পানি বৃদ্ধির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আরও জমি ডুবে যাবে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

এ ঘটনার পরেও প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নিড়