, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় রুমে ঘুমাতে গিয়ে সাড়া নেই, পরে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ‘তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি’য় উৎপাদিত দেশে অ্যালকোহলে লিটার প্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় যুব সবুজ উদ্যোক্তাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার সব খাল খননে উদ্যোগ, উন্মুক্ত টেন্ডারে অংশ নিতে পারবেন সবাই

দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক

  • প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
  • ১ পড়া হয়েছে

 

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হোগলডাঙ্গা মাঝেরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রীসহ আরও ২-৩ জন সহযোগী পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলো, উপজেলার হোগলডাঙ্গা (মাঝেরপাড়া) গ্রামের মৃত মোহামাদ আলীর ছেলে আব্দুল হালিম (৪০)। তার বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার আসামীকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন এর দিকনির্দেশনায় গত ৭ জুন রবিবার রাত ৯টার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোগলডাঙ্গা মাঝেরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আব্দুল হালিমকে তার বসতবাড়ির উঠান থেকে আটক করা হয়। তবে তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩৫) এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আব্দুল হালিমের দেহ তল্লাশি করা হলে তার পরিহিত লুঙ্গির ডান কোচা থেকে ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ৪ দশমিক ৫ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ১৩ হাজার ৫০০ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল হালিম স্বীকার করেন যে, পলাতক আসামিরা এর আগেও কয়েক পিস ইয়াবা বিক্রি করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলেই জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে এবং গ্রেফতারকৃত আসামীকে থানায় নিয়ে আসে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে আব্দুল হালিম ও তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে নিজ এলাকা ও আশপাশের অঞ্চলে বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীকে গতকাল সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে

 

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হোগলডাঙ্গা মাঝেরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রীসহ আরও ২-৩ জন সহযোগী পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলো, উপজেলার হোগলডাঙ্গা (মাঝেরপাড়া) গ্রামের মৃত মোহামাদ আলীর ছেলে আব্দুল হালিম (৪০)। তার বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার আসামীকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন এর দিকনির্দেশনায় গত ৭ জুন রবিবার রাত ৯টার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোগলডাঙ্গা মাঝেরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আব্দুল হালিমকে তার বসতবাড়ির উঠান থেকে আটক করা হয়। তবে তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩৫) এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আব্দুল হালিমের দেহ তল্লাশি করা হলে তার পরিহিত লুঙ্গির ডান কোচা থেকে ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ৪ দশমিক ৫ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ১৩ হাজার ৫০০ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল হালিম স্বীকার করেন যে, পলাতক আসামিরা এর আগেও কয়েক পিস ইয়াবা বিক্রি করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলেই জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে এবং গ্রেফতারকৃত আসামীকে থানায় নিয়ে আসে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে আব্দুল হালিম ও তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে নিজ এলাকা ও আশপাশের অঞ্চলে বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীকে গতকাল সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।