
শিমুল রেজা
পরিবেশ বান্ধব ব্যবসা পরিচালনা করায় চুয়াডাঙ্গায় ৩০ জন যুব সবুজ উদ্যোক্তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা শহরের মালোপাড়ায় ওয়েভ ট্রেনিং সেন্টারে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। ‘ইয়ুথ কানেক্ট: ইয়ুথ গ্রিন এন্টারপ্রেনারশীপ ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফিরোজ আহমেদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. তাজুল ইসলাম, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতাও নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মানিক আকবর ও জেলা লোকমোর্চার সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি। উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক জহির রায়হান, সিনিয়র সমন্বয়কারী আব্দুস সালাম ও কামরুজ্জামান যুদ্ধ। অনুষ্ঠানে প্রকল্প উপস্থাপনা করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক নাজমা সুলতানা লিলি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও সঞ্চালনায় ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী শরিফুল আলম লিটন। আয়োজকরা জানান, ওয়েভ ফাউন্ডেশন ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। যার মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, অনুপ্রেরণা সৃষ্টি এবং পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, কর্মসংস্থান সংকট ও বৈষম্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলা। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার নির্বাচিত ১৫টি সবুজ ব্যবসার উদ্যোগের ৩০ জন যুব সবুজ উদ্যোক্তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, প্রকল্পের প্রথম বছরে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার ২৯৫ নারী, ২১৫ পুরুষসহ ৫১০ জন যুব উদ্যোক্তাকে পাঁচ দিনব্যাপী সবুজ উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বাছাই প্রক্রিয়া শেষে সেরা ১৫টি উদ্যোগের ৩০ জন উদ্যোক্তাকে গত ২০ মে যশোরে একটি ‘পিচ ডে’ ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। সেখানে তারা আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় নামী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও এঞ্জেল ইনভেস্টরদের সমন্বয়ে গঠিত সম্মানীত প্যানেলিস্টদের সামনে তাদের গ্রিন বিজনেস মডেল, বাজার বিশ্লেষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা সফলভাবে উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শারমিন আক্তার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে পরিবেশবান্ধব ব্যবসা পরিচালনায় তরুণদের এই এগিয়ে আসা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের টেকসই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে।




















