, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত: ঝিনাইদহের শৈলকুপা এক পরিবারের স্ত্রী সন্তান সহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার দামুড়হুদার শিবনগরে আলোচিত গাছ চুরির মামলায় বাগান মালিককে প্রাণনাশের হুমকি মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দর্শনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পৌর বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গা বাসীসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: রাব্বিক হাসান চুয়াডাঙ্গা বাসীসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: মোস্তাক আহমেদ দর্শনা পৌর বিএনপি নেতার উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থ্য মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ  দর্শনা পৌর বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: মোঃ হাবিবুর রহমান বুলেট চুয়াডাঙ্গা বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: মাহমুদ হাসান খান বাবু কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: আব্দুল করিম বিশ্বাস পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা:আশরাফুল হক বিপ্লব

১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত: ঝিনাইদহের শৈলকুপা এক পরিবারের স্ত্রী সন্তান সহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : এক মিনিট আগে
  • ৮ পড়া হয়েছে

 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করে ওপরে নিয়ে আসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। এসময় বাসের মধ্যে থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি দুজনের মরদেহ বাস তলিয়ে যাওয়ার সময় উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, মরদেহগুলো গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে রাখা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

কুমারখালী ও খোকসার যাত্রীদের পরিচয় মিলেছে

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া গেছে গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। তারা ঈদের ছুটি কাটিয়ে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন।

খোকসা থেকে বাসে ওঠেন দেলোয়ার (৩০), তার স্ত্রী এবং ছেলে ইসরাফিল (৩), যিনি এখনও নিখোঁজ।

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস) আরও ওই বাসে ছিলেন। নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন। তাদের মধ্যে স্ত্রী আয়েশা ও সন্তান আরশান নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া গিয়াস উদ্দিনের কন্যা আয়েশাও এখনো পানির নিচে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাসটিতে ৪৫ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। নিখোঁজদের স্বজনরা ফেরি ঘাট এলাকার আহাজারি করছেন।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন

জনপ্রিয়

১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত: ঝিনাইদহের শৈলকুপা এক পরিবারের স্ত্রী সন্তান সহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত: ঝিনাইদহের শৈলকুপা এক পরিবারের স্ত্রী সন্তান সহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : এক মিনিট আগে

 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করে ওপরে নিয়ে আসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। এসময় বাসের মধ্যে থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি দুজনের মরদেহ বাস তলিয়ে যাওয়ার সময় উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, মরদেহগুলো গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে রাখা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

কুমারখালী ও খোকসার যাত্রীদের পরিচয় মিলেছে

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া গেছে গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। তারা ঈদের ছুটি কাটিয়ে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন।

খোকসা থেকে বাসে ওঠেন দেলোয়ার (৩০), তার স্ত্রী এবং ছেলে ইসরাফিল (৩), যিনি এখনও নিখোঁজ।

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস) আরও ওই বাসে ছিলেন। নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন। তাদের মধ্যে স্ত্রী আয়েশা ও সন্তান আরশান নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া গিয়াস উদ্দিনের কন্যা আয়েশাও এখনো পানির নিচে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাসটিতে ৪৫ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। নিখোঁজদের স্বজনরা ফেরি ঘাট এলাকার আহাজারি করছেন।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন