, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ১৮টি ভারতীয় রূপার বারসহ নারী চোরাকারবারি আটক চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে ধর্ষণের পর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল; গ্রেপ্তার ৩ চুয়াডাঙ্গায় ছুরি-দা তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়েছে কামার পল্লীতে, কারিগরে মুখে সাময়িক হাসি চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন ২৬ মণের ‘রাজাবাবু’ মাতাবে কুষ্টিয়া, দাম হাঁকছেন ৮ লাখ দর্শনায় ৪৮ বোতল মাদকদ্রব্য এস্কাফ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার দর্শনায় জুয়ার বোর্ড থেকে নগদ টাকা ও খেলার সরঞ্জামসহ ৩ জুয়াড়ি গ্রেফতার  চুয়াডাঙ্গায় ভ্যান চুরিকে কেন্দ্র করে ডেলিভারি বয়কে পিটিয়ে হত্যা চুয়াডাঙ্গায় ১২০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেলেন ২১ তরুণ-তরুণী দামুড়হুদায় ৮ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয় নগদ টাকাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

প্রেমেরটানে মালেশিয়ান তরুনী এখন জীবননগরে

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ আগস্ট ২০২৫
  • ৪০৭ পড়া হয়েছে

মোঃ আব্দুল্লাহ হক:
ভালোবাসার টানে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মালেশিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এসেছেন মালেশিয়ান তরুণী স্মৃতিনূর আতিকা বিনতে আব্দুল ওহাব (৩০)। বিয়ে করছেন বাংলাদেশের ছেলে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের জিনারুল মল্লিকের পুত্র মালেশিয়া প্রবাসী রিংকু রহমানকে (৩২)। শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্মৃতিনূর আতিকা ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছুলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রিংকু রহমান ও তার পরিবারের লোকজন।
দুই পরিবারের সম্মতিতে তারা চলতি বছরে ৩ জানুয়ারী মালেশিয়াতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিংকু।রিংকু রহমান জানান, ২০১৮ সালে তিনি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজের জন্য মালেশিয়াতে যান। যাওয়ার কয়েকমাস পরেই স্মৃতিনূর আতিকার সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর কয়েক বছর উভয়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতে থাকে। কথা বলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসায় রূপ নেয়। পরে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মালেশিয়াতে তাদের বিয়ে হয়।রিংকু রহমান আরও জানান, আমি ছুটিতে বাড়িত আসলে তারও বাংলাদেশে আসার কথা ছিলো। আমি এখন দেশে আছি। তাই সেও আমাদের বাড়িতে এসেছে। রিংকু রহমান বলেন, সে ছয় মাসের ছুটিতে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। ছুটি শেষে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আবার মালেশিয়াতে চলে যাবো। রিংকু রহমানের পিতা জিনারুল মল্লিক বলেন, ছেলের পছন্দকে সম্মান জানাতে আমরা বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলাম।আমাদের বউমা ভিনদেশী হলেও সবার সাথে মিলেমিশে চলছে। ঘরের খুটিনাটি কাজগুলো সে নিজেই করছে। মালেশিয়ান তরুণী আসার সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মালয়েশিয়ান তরুনীকে এক নজর দেখার জন্য রোববার সকাল থেকে রিংকু রহমানের বাড়িতে প্রতিবেশীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ১৮টি ভারতীয় রূপার বারসহ নারী চোরাকারবারি আটক

প্রেমেরটানে মালেশিয়ান তরুনী এখন জীবননগরে

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ আগস্ট ২০২৫

মোঃ আব্দুল্লাহ হক:
ভালোবাসার টানে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মালেশিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এসেছেন মালেশিয়ান তরুণী স্মৃতিনূর আতিকা বিনতে আব্দুল ওহাব (৩০)। বিয়ে করছেন বাংলাদেশের ছেলে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের জিনারুল মল্লিকের পুত্র মালেশিয়া প্রবাসী রিংকু রহমানকে (৩২)। শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্মৃতিনূর আতিকা ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছুলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রিংকু রহমান ও তার পরিবারের লোকজন।
দুই পরিবারের সম্মতিতে তারা চলতি বছরে ৩ জানুয়ারী মালেশিয়াতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিংকু।রিংকু রহমান জানান, ২০১৮ সালে তিনি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজের জন্য মালেশিয়াতে যান। যাওয়ার কয়েকমাস পরেই স্মৃতিনূর আতিকার সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর কয়েক বছর উভয়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতে থাকে। কথা বলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসায় রূপ নেয়। পরে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মালেশিয়াতে তাদের বিয়ে হয়।রিংকু রহমান আরও জানান, আমি ছুটিতে বাড়িত আসলে তারও বাংলাদেশে আসার কথা ছিলো। আমি এখন দেশে আছি। তাই সেও আমাদের বাড়িতে এসেছে। রিংকু রহমান বলেন, সে ছয় মাসের ছুটিতে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। ছুটি শেষে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আবার মালেশিয়াতে চলে যাবো। রিংকু রহমানের পিতা জিনারুল মল্লিক বলেন, ছেলের পছন্দকে সম্মান জানাতে আমরা বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলাম।আমাদের বউমা ভিনদেশী হলেও সবার সাথে মিলেমিশে চলছে। ঘরের খুটিনাটি কাজগুলো সে নিজেই করছে। মালেশিয়ান তরুণী আসার সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মালয়েশিয়ান তরুনীকে এক নজর দেখার জন্য রোববার সকাল থেকে রিংকু রহমানের বাড়িতে প্রতিবেশীরা ভিড় জমাচ্ছেন।