, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় প্রশাসনে নারীর নেতৃত্বের নতুন ইতিহাস,চার উপজেলার ইউএনও পদে চার নারী কর্মকর্তা দর্শনা পৌর নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে পরিচিত মুখ আলহাজ্ব মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গায় ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে কিশোরীকে নৃশংস ভাবে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার দামুড়হুদায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের বাংলাদেশীদের জন্য দুই বছর পর ফের চালু হলো ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা দর্শনার কুড়ালগাছি‘জয় বাংলা’লেখা বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার দর্শনায় বিস্ফোরক ও মাদক মামলার আসামিসহ দুই জন গ্রেপ্তার ১ লাখ টাকা বিল বকেয়া থাকায় বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ব্রিফিং

দর্শনা পৌর নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে পরিচিত মুখ আলহাজ্ব মশিউর রহমান

  • প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ১০ পড়া হয়েছে
শিমুল রেজা,
দর্শনা পৌরসভা নির্বাচন এখনও অনেক দূরের বিষয়। এখনো তফসিল ঘোষণা হয়নি, রাজনৈতিক দলগুলোও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। তবে মাঠের আলোচনা, রাজনৈতিক সমীকরণ এবং ভোটারদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে একটি নাম— আলহাজ্ব মশিউর রহমান।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপি যদি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আলহাজ্ব মশিউর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি মেয়র পদে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হয়ে উঠতে পারেন। অনেকের ধারণা, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও নির্দলীয় ভোটের একটি বড় অংশ তার পক্ষে একীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এবার রাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন। জাতীয় নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে পৃথক অবস্থানে রয়েছে। ফলে পৌরসভা নির্বাচনেও দলটি ইতিমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছে নির্বাচনে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ অবস্থায় বিএনপির ভোটব্যাংক একদিকে এবং জামায়াতের ভোট অন্যদিকে বিভক্ত হলে বিএনপির জন্য এমন একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী প্রয়োজন হবে, যিনি সর্বস্তরের ভোটারের কাছে জনপ্রিয়। সেই বিবেচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের  নামই সামনে চলে আসছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বর্তমানে দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্রভাষক ও সাবেক ছাত্রনেতা, মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবসায়ী সমাজের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মীর ভাষ্য,দলের বিভিন্ন আন্দোলন -সংগ্রাম ও দুঃসময়ে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। এ কারণে দলের অভ্যন্তরেও তাকে প্রার্থী করার দাবি ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছে।
ব্যবসায়ী মহলের অনেকেই বলছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি একজন সফল সংগঠক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসেবে আলহাজ্ব মশিউর রহমান দর্শনা পৌরসভাধীন এলাকায় একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে বা দুর্বল অবস্থানে থাকলে তাদের সমর্থকদের একটি অংশের ভোট আলহাজ্ব মশিউর রহমানের দিকে যেতে পারে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, তিনি তুলনামূলক ভাবে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির একজন নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, মানবিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। ফলে দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার অবস্থান রয়েছে।
অপরদিকে, দর্শনা শহরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আলহাজ্ব মশিউর রহমান একটি পরিচিত মুখ। করোনাকালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি এখনও অনেকের মুখে মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবারকে সহায়তা করেছিলেন।
এছাড়া রমজান মাস ও ঈদের সময় নিজ উদ্যোগে মাসব্যাপী খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিও পরিচালনা করেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন স্থানীয়রা।
দর্শনা পৌরসভা বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক এবং পৌর রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি বিএনপির একটি অংশের সমর্থন পাচ্ছেন।
অন্যদিকে, জাতীয় নির্বাচনে জেলার দুইটি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিজয়ের পর দলটি পৌরসভা নির্বাচন নিয়েও আত্মবিশ্বাসী। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের। ফলে পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে ত্রিমুখী কিংবা বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আলহাজ্ব মশিউর রহমান বলেন, তিনি প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, কাজের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তার ভাষায়, “আমি মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। আমি এই শহরের সন্তান। পৌরবাসী এখনও অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমি দর্শনা পৌরবাসীর পাশে থেকে কাজ করতে চাই। তবে নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনই সবকিছু নয়। যতদিন বেঁচে আছি আল্লাহর রহমতে, মানুষের পাশে থাকতে চাই। মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় অর্জন আমার কাছে আর কিছু নেই।”
দর্শনা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক এনামুল হক শাহ মুকুল। দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্যানেল মেয়র শরীফ উদ্দীন। দর্শনা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন রিঙ্কু। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরকে ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে।
তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত আলহাজ্ব মশিউর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেয় এবং তিনি দলীয় ভোটের পাশাপাশি নির্দলীয় ও আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের একটি অংশের ভোট আকর্ষণ করতে সক্ষম হন, তাহলে দর্শনা পৌরসভার মেয়র পদে তিনি শুধু শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীই নন, সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবেও আবির্ভূত হতে পারেন।
জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় প্রশাসনে নারীর নেতৃত্বের নতুন ইতিহাস,চার উপজেলার ইউএনও পদে চার নারী কর্মকর্তা

দর্শনা পৌর নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে পরিচিত মুখ আলহাজ্ব মশিউর রহমান

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
শিমুল রেজা,
দর্শনা পৌরসভা নির্বাচন এখনও অনেক দূরের বিষয়। এখনো তফসিল ঘোষণা হয়নি, রাজনৈতিক দলগুলোও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। তবে মাঠের আলোচনা, রাজনৈতিক সমীকরণ এবং ভোটারদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে একটি নাম— আলহাজ্ব মশিউর রহমান।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপি যদি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আলহাজ্ব মশিউর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি মেয়র পদে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হয়ে উঠতে পারেন। অনেকের ধারণা, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও নির্দলীয় ভোটের একটি বড় অংশ তার পক্ষে একীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এবার রাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন। জাতীয় নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে পৃথক অবস্থানে রয়েছে। ফলে পৌরসভা নির্বাচনেও দলটি ইতিমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছে নির্বাচনে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ অবস্থায় বিএনপির ভোটব্যাংক একদিকে এবং জামায়াতের ভোট অন্যদিকে বিভক্ত হলে বিএনপির জন্য এমন একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী প্রয়োজন হবে, যিনি সর্বস্তরের ভোটারের কাছে জনপ্রিয়। সেই বিবেচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের  নামই সামনে চলে আসছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বর্তমানে দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্রভাষক ও সাবেক ছাত্রনেতা, মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবসায়ী সমাজের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মীর ভাষ্য,দলের বিভিন্ন আন্দোলন -সংগ্রাম ও দুঃসময়ে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। এ কারণে দলের অভ্যন্তরেও তাকে প্রার্থী করার দাবি ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছে।
ব্যবসায়ী মহলের অনেকেই বলছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি একজন সফল সংগঠক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসেবে আলহাজ্ব মশিউর রহমান দর্শনা পৌরসভাধীন এলাকায় একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে বা দুর্বল অবস্থানে থাকলে তাদের সমর্থকদের একটি অংশের ভোট আলহাজ্ব মশিউর রহমানের দিকে যেতে পারে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, তিনি তুলনামূলক ভাবে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির একজন নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, মানবিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। ফলে দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার অবস্থান রয়েছে।
অপরদিকে, দর্শনা শহরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আলহাজ্ব মশিউর রহমান একটি পরিচিত মুখ। করোনাকালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি এখনও অনেকের মুখে মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবারকে সহায়তা করেছিলেন।
এছাড়া রমজান মাস ও ঈদের সময় নিজ উদ্যোগে মাসব্যাপী খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিও পরিচালনা করেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন স্থানীয়রা।
দর্শনা পৌরসভা বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক এবং পৌর রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি বিএনপির একটি অংশের সমর্থন পাচ্ছেন।
অন্যদিকে, জাতীয় নির্বাচনে জেলার দুইটি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিজয়ের পর দলটি পৌরসভা নির্বাচন নিয়েও আত্মবিশ্বাসী। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের। ফলে পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে ত্রিমুখী কিংবা বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আলহাজ্ব মশিউর রহমান বলেন, তিনি প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, কাজের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তার ভাষায়, “আমি মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। আমি এই শহরের সন্তান। পৌরবাসী এখনও অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমি দর্শনা পৌরবাসীর পাশে থেকে কাজ করতে চাই। তবে নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনই সবকিছু নয়। যতদিন বেঁচে আছি আল্লাহর রহমতে, মানুষের পাশে থাকতে চাই। মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় অর্জন আমার কাছে আর কিছু নেই।”
দর্শনা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক এনামুল হক শাহ মুকুল। দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্যানেল মেয়র শরীফ উদ্দীন। দর্শনা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন রিঙ্কু। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরকে ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে।
তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত আলহাজ্ব মশিউর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেয় এবং তিনি দলীয় ভোটের পাশাপাশি নির্দলীয় ও আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের একটি অংশের ভোট আকর্ষণ করতে সক্ষম হন, তাহলে দর্শনা পৌরসভার মেয়র পদে তিনি শুধু শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীই নন, সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী হিসেবেও আবির্ভূত হতে পারেন।