, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্থিরতা, প্রতিবাদে মানববন্ধন চুয়াডাঙ্গায় গলায় ট্যাবলেট আটকে শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমাণ ওষুধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার দামুড়হুদায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযানে চার জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দামুড়হুদায় অবৈধ বাঁধ অপসারণ ও চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে জাল ধ্বংস দামুড়হুদায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত চুয়াডাঙ্গায় গোপনে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি,৩০ হাজার টাকা জরিমানা দর্শনায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ জৈব সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

  • প্রকাশের সময় : ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭১ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায় অবস্থিত মা এগ্রো জৈব সার কারখানায় অবৈধভাবে জৈব সার উৎপাদনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন একটি অনুমোদনহীন কারখানা লাইসেন্স ছাড়াই জৈব সার উৎপাদন করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কারখানায় বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে রঙিন ব্যাগ প্রস্তুত করে অসৎ উপায়ে সার বাজারজাত করা হচ্ছিল।সংবাদ পেয়ে কৃষি বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে লাইসেন্স ব্যতীত জৈব সার উৎপাদন ও বিক্রির অপরাধে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারখানাটির সব ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স গ্রহণ না করা পর্যন্ত সার উৎপাদন ও বিপণন না করার কড়া নির্দেশ দেন।
তবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর ঘটনাস্থলে থাকা জৈব সার জব্দ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে এসব সার বিভিন্ন মোড়কে প্যাকেট করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে করে অবৈধভাবে উৎপাদিত সারগুলো নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, এর ফলে সাধারণ কৃষকরা ভেজাল সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এবং এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ সার জব্দসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্থিরতা, প্রতিবাদে মানববন্ধন

চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ জৈব সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

প্রকাশের সময় : ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায় অবস্থিত মা এগ্রো জৈব সার কারখানায় অবৈধভাবে জৈব সার উৎপাদনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন একটি অনুমোদনহীন কারখানা লাইসেন্স ছাড়াই জৈব সার উৎপাদন করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কারখানায় বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে রঙিন ব্যাগ প্রস্তুত করে অসৎ উপায়ে সার বাজারজাত করা হচ্ছিল।সংবাদ পেয়ে কৃষি বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে লাইসেন্স ব্যতীত জৈব সার উৎপাদন ও বিক্রির অপরাধে কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারখানাটির সব ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স গ্রহণ না করা পর্যন্ত সার উৎপাদন ও বিপণন না করার কড়া নির্দেশ দেন।
তবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর ঘটনাস্থলে থাকা জৈব সার জব্দ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে এসব সার বিভিন্ন মোড়কে প্যাকেট করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে করে অবৈধভাবে উৎপাদিত সারগুলো নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, এর ফলে সাধারণ কৃষকরা ভেজাল সার কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এবং এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ সার জব্দসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।