, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৩, রোগী ভর্তি: পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত সকলের সহযোগিতায় একটি আধুনিক উন্নত চুয়াডাঙ্গা গড়তে পারব : নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহার চুয়াডাঙ্গায় একই ব্যক্তির নামে দুটি মাজার! জনমনে নানা প্রশ্ন টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গার মানুষ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় দামুড়হুদায় পেঁয়াজের দামে হতাশ চাষিরা, গুনতে হচ্ছে লোকসান চুয়াডাঙ্গার ৪ উপজেলায় ৫০ হাজার ফুয়েল কার্ড বিতরণ: শুক্রবার জেলার যে সকল পাম্পে আজ তেল বিতরণ করা হবে চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রদলের মতবিনিময় সভায় শরীফুজ্জামান শরীফ ঝিনাইদহে বিপন্ন মেছো বিড়ালের দুটি শাবক উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্ত

প্রেমের টানে খুলনায় চীনা যুবক!

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ২৯৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:: ভাষা, সংস্কৃতি, জাতি, বর্ণ কিংবা ধর্ম- প্রেম কোনো কিছুই মানে না। তাই হাজার মাইল দূরের দূরত্বকেও হার মানিয়ে ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন এক চীনা যুবক। খুলনার প্রত্যন্ত উপজেলা দাকোপে রচিত হয়েছে এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রেমকাহিনি।

সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে আসা ওই যুবকের নাম থাম্বু জাও। জীবনসঙ্গিনী হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন দাকোপের খ্রিষ্টানপল্লির তরুণী পিংকি সরদারকে।ফেসবুকে মাত্র দুই মাস আগে দু’জনের পরিচয়। ধীরে ধীরে আলাপ জমে বন্ধুত্বে, আর সেই বন্ধুত্বই একসময় রূপ নেয় গভীর ভালোবাসায়। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও অনুভব এতটাই গভীর হয়ে ওঠে যে, সম্পর্ককে স্থায়ী রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। সেই ভালোবাসার টানেই থাম্বু পাড়ি জমান বাংলাদেশে।সম্প্রতি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন থাম্বু ও পিংকি। বর্তমানে তারা পিংকির বাবার বাড়িতে সংসার করছেন। নতুন সংসার আর নতুন পরিবেশে দুজনই দারুণ খুশি।পিংকি সরদার বলেন, ‘আমরা একে অপরকে খুব ভালোভাবে বুঝি। থাম্বু খুব সৎ ও যত্নশীল। এখন আমাদের দিন কাটছে আনন্দ আর ভালোবাসার মধ্যে।’

ভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষার পরিবেশে আসলেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছেন থাম্বু। ভাষাগত কিছু সমস্যা থাকলেও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে পরিবারের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করছেন তিনি। পিংকির পরিবার এবং প্রতিবেশীরাও তাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন।থাম্বু বলেন, ‘ফেসবুকে পিংকির সঙ্গে পরিচয়ের পরেই বুঝতে পারি, সে একজন ভালো মানুষ। কিছুদিন প্রেম করার পর আমরা বিয়ে করি। এখন ওর বাড়িতে থাকছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালো লাগছে।’

বাংলাদেশি খাবারেও ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন তিনি। মসলাযুক্ত রান্না শুরুতে কিছুটা চমকে দিলেও এখন তা উপভোগ করছেন বলেও জানান। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে স্ত্রীকে নিয়ে চীন সফরের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

বাংলাদেশে থেকে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন থাম্বু। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চাই এবং ছোটখাটো একটি ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনাও রয়েছে।’এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ‘এই যুগে এমন সাহসী প্রেম সত্যিই বিরল। ছেলেটি খুব ভদ্র ও শান্ত। আমরা চাই, নতুন দম্পতি সুখে ও শান্তিতে জীবন কাটাক

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

প্রেমের টানে খুলনায় চীনা যুবক!

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:: ভাষা, সংস্কৃতি, জাতি, বর্ণ কিংবা ধর্ম- প্রেম কোনো কিছুই মানে না। তাই হাজার মাইল দূরের দূরত্বকেও হার মানিয়ে ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন এক চীনা যুবক। খুলনার প্রত্যন্ত উপজেলা দাকোপে রচিত হয়েছে এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রেমকাহিনি।

সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে আসা ওই যুবকের নাম থাম্বু জাও। জীবনসঙ্গিনী হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন দাকোপের খ্রিষ্টানপল্লির তরুণী পিংকি সরদারকে।ফেসবুকে মাত্র দুই মাস আগে দু’জনের পরিচয়। ধীরে ধীরে আলাপ জমে বন্ধুত্বে, আর সেই বন্ধুত্বই একসময় রূপ নেয় গভীর ভালোবাসায়। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও অনুভব এতটাই গভীর হয়ে ওঠে যে, সম্পর্ককে স্থায়ী রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। সেই ভালোবাসার টানেই থাম্বু পাড়ি জমান বাংলাদেশে।সম্প্রতি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন থাম্বু ও পিংকি। বর্তমানে তারা পিংকির বাবার বাড়িতে সংসার করছেন। নতুন সংসার আর নতুন পরিবেশে দুজনই দারুণ খুশি।পিংকি সরদার বলেন, ‘আমরা একে অপরকে খুব ভালোভাবে বুঝি। থাম্বু খুব সৎ ও যত্নশীল। এখন আমাদের দিন কাটছে আনন্দ আর ভালোবাসার মধ্যে।’

ভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষার পরিবেশে আসলেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছেন থাম্বু। ভাষাগত কিছু সমস্যা থাকলেও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে পরিবারের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করছেন তিনি। পিংকির পরিবার এবং প্রতিবেশীরাও তাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন।থাম্বু বলেন, ‘ফেসবুকে পিংকির সঙ্গে পরিচয়ের পরেই বুঝতে পারি, সে একজন ভালো মানুষ। কিছুদিন প্রেম করার পর আমরা বিয়ে করি। এখন ওর বাড়িতে থাকছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালো লাগছে।’

বাংলাদেশি খাবারেও ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন তিনি। মসলাযুক্ত রান্না শুরুতে কিছুটা চমকে দিলেও এখন তা উপভোগ করছেন বলেও জানান। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে স্ত্রীকে নিয়ে চীন সফরের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

বাংলাদেশে থেকে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন থাম্বু। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চাই এবং ছোটখাটো একটি ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনাও রয়েছে।’এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ‘এই যুগে এমন সাহসী প্রেম সত্যিই বিরল। ছেলেটি খুব ভদ্র ও শান্ত। আমরা চাই, নতুন দম্পতি সুখে ও শান্তিতে জীবন কাটাক