, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি’র নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমানের গণসংযোগ ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: আলহাজ্ব মশিউর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দামুড়হুদায় অবহিতকরণ সভা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দর্শনায় দোয়া মাহফিল চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে ভিডিপি দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের কাগজ চাওয়ায় পুলিশকে হুমকি, তিন যুবক আটক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার ২টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের ৪ প্রার্থীর হলফনামা অসহায় প্রতিবন্ধী সুমন আলীর পাশে দাঁড়ালেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান টানা ৫ দিনের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা:তাপমাত্রা ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিলারের সঙ্গে ধাক্কায় যুবক নিহত, আহত ১

প্রেমেরটানে মালেশিয়ান তরুনী এখন জীবননগরে

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ আগস্ট ২০২৫
  • ২০৭ পড়া হয়েছে

মোঃ আব্দুল্লাহ হক:
ভালোবাসার টানে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মালেশিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এসেছেন মালেশিয়ান তরুণী স্মৃতিনূর আতিকা বিনতে আব্দুল ওহাব (৩০)। বিয়ে করছেন বাংলাদেশের ছেলে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের জিনারুল মল্লিকের পুত্র মালেশিয়া প্রবাসী রিংকু রহমানকে (৩২)। শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্মৃতিনূর আতিকা ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছুলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রিংকু রহমান ও তার পরিবারের লোকজন।
দুই পরিবারের সম্মতিতে তারা চলতি বছরে ৩ জানুয়ারী মালেশিয়াতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিংকু।রিংকু রহমান জানান, ২০১৮ সালে তিনি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজের জন্য মালেশিয়াতে যান। যাওয়ার কয়েকমাস পরেই স্মৃতিনূর আতিকার সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর কয়েক বছর উভয়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতে থাকে। কথা বলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসায় রূপ নেয়। পরে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মালেশিয়াতে তাদের বিয়ে হয়।রিংকু রহমান আরও জানান, আমি ছুটিতে বাড়িত আসলে তারও বাংলাদেশে আসার কথা ছিলো। আমি এখন দেশে আছি। তাই সেও আমাদের বাড়িতে এসেছে। রিংকু রহমান বলেন, সে ছয় মাসের ছুটিতে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। ছুটি শেষে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আবার মালেশিয়াতে চলে যাবো। রিংকু রহমানের পিতা জিনারুল মল্লিক বলেন, ছেলের পছন্দকে সম্মান জানাতে আমরা বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলাম।আমাদের বউমা ভিনদেশী হলেও সবার সাথে মিলেমিশে চলছে। ঘরের খুটিনাটি কাজগুলো সে নিজেই করছে। মালেশিয়ান তরুণী আসার সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মালয়েশিয়ান তরুনীকে এক নজর দেখার জন্য রোববার সকাল থেকে রিংকু রহমানের বাড়িতে প্রতিবেশীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

জনপ্রিয়

দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি’র নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমানের গণসংযোগ

প্রেমেরটানে মালেশিয়ান তরুনী এখন জীবননগরে

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ আগস্ট ২০২৫

মোঃ আব্দুল্লাহ হক:
ভালোবাসার টানে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মালেশিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এসেছেন মালেশিয়ান তরুণী স্মৃতিনূর আতিকা বিনতে আব্দুল ওহাব (৩০)। বিয়ে করছেন বাংলাদেশের ছেলে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের জিনারুল মল্লিকের পুত্র মালেশিয়া প্রবাসী রিংকু রহমানকে (৩২)। শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্মৃতিনূর আতিকা ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছুলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রিংকু রহমান ও তার পরিবারের লোকজন।
দুই পরিবারের সম্মতিতে তারা চলতি বছরে ৩ জানুয়ারী মালেশিয়াতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিংকু।রিংকু রহমান জানান, ২০১৮ সালে তিনি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজের জন্য মালেশিয়াতে যান। যাওয়ার কয়েকমাস পরেই স্মৃতিনূর আতিকার সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর কয়েক বছর উভয়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতে থাকে। কথা বলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসায় রূপ নেয়। পরে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মালেশিয়াতে তাদের বিয়ে হয়।রিংকু রহমান আরও জানান, আমি ছুটিতে বাড়িত আসলে তারও বাংলাদেশে আসার কথা ছিলো। আমি এখন দেশে আছি। তাই সেও আমাদের বাড়িতে এসেছে। রিংকু রহমান বলেন, সে ছয় মাসের ছুটিতে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। ছুটি শেষে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আবার মালেশিয়াতে চলে যাবো। রিংকু রহমানের পিতা জিনারুল মল্লিক বলেন, ছেলের পছন্দকে সম্মান জানাতে আমরা বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলাম।আমাদের বউমা ভিনদেশী হলেও সবার সাথে মিলেমিশে চলছে। ঘরের খুটিনাটি কাজগুলো সে নিজেই করছে। মালেশিয়ান তরুণী আসার সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মালয়েশিয়ান তরুনীকে এক নজর দেখার জন্য রোববার সকাল থেকে রিংকু রহমানের বাড়িতে প্রতিবেশীরা ভিড় জমাচ্ছেন।