, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুসলিম বিশ্বে আর কোন নেতা বা নেত্রীর ভাগ্যে জোঠেনি: মাহমুদ হাসান খান বাবু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে মরা মুরগি ফেলে জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গায় জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনে হাহাকার হাসপাতালে সাপ্লাই বন্ধ, মিলছে না ফার্মেসিতেও হাড়কাঁপানো শীত কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা ,তাপমাত্রা নামল ৭ ডিগ্রিতে দামুড়হুদায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহে’র মাগফিরাত কামনায় দোয়া দামুড়হুদায় সার ব্যাবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনে দুই প্রতিষ্ঠানের অর্থদণ্ড দামুড়হুদায় নির্বাচনী প্রচারণায় ‘ভোটের গাড়ি’ চুয়াডাঙ্গায় মাদক সম্রাজ্ঞী মিনির রাজত্বে নতুন বেনামবাদশা ছোট জামাই আহাদ-প্রশাসন নির্বিকার চুয়াডাঙ্গায় ছাগল চুরির অভিযোগে দুই জন গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় যৌথবাহিনী অভিযানে ১৫ টি ককটেল বোমা ও ট্যাপেন্ডা ট্যাবলেটসহ আটক ১

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ৭.৫ ডিগ্রি কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

  • প্রকাশের সময় : ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৫ পড়া হয়েছে

 

শিমুল রেজা,
হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। চুয়াডাঙ্গায় এই মৌসুম ও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এই জেলায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।

জানা গেছে, টানা শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গা। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় মারাত্মক শীত অনুভূত হচ্ছে। বয়ে যাচ্ছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। সাথে ঘন কুয়াশা। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক কর্মজীবন ব্যাহত হচ্ছে। নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। তা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হতে হচ্ছে। অনেকেই শীতের হাত থেকে বাঁচতে খড় খুঁটো জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে চালকরা হেডলাইট জ্বালিয়ে ও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচল করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোত ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গেছে।

 

ভ্যানচালক মতি মোল্লা বলেন, শীতের কাপড় অনেকগুলো পরিধান করেও রক্ষা পাচ্ছি না। শরীরের কোনো অংশ ঢাকা না থাকলেই হিম শীত অনুভূত হচ্ছে। ভাড়ার জন্য সকাল থেকে বের হলেও কোনো ভাড়া পাচ্ছি না, শীতে বাইরে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শিক্ষার্থী রেজাউল বলেন, সকালে পানিতে হাত দেওয়া অসম্ভব হয়ে গেছে। বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। পড়াশোনা করতে বাইরে যাওয়া অনেক কষ্ট হয়ে গেছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এ জেলার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।

এদিকে জেলা-উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, বিভিন্ন এনজিও, সামাজিক সংস্থা শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় কম।

জনপ্রিয়

মুসলিম বিশ্বে আর কোন নেতা বা নেত্রীর ভাগ্যে জোঠেনি: মাহমুদ হাসান খান বাবু

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ৭.৫ ডিগ্রি কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশের সময় : ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

শিমুল রেজা,
হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। চুয়াডাঙ্গায় এই মৌসুম ও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এই জেলায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।

জানা গেছে, টানা শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গা। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় মারাত্মক শীত অনুভূত হচ্ছে। বয়ে যাচ্ছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। সাথে ঘন কুয়াশা। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক কর্মজীবন ব্যাহত হচ্ছে। নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। তা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হতে হচ্ছে। অনেকেই শীতের হাত থেকে বাঁচতে খড় খুঁটো জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে চালকরা হেডলাইট জ্বালিয়ে ও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচল করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোত ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গেছে।

 

ভ্যানচালক মতি মোল্লা বলেন, শীতের কাপড় অনেকগুলো পরিধান করেও রক্ষা পাচ্ছি না। শরীরের কোনো অংশ ঢাকা না থাকলেই হিম শীত অনুভূত হচ্ছে। ভাড়ার জন্য সকাল থেকে বের হলেও কোনো ভাড়া পাচ্ছি না, শীতে বাইরে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শিক্ষার্থী রেজাউল বলেন, সকালে পানিতে হাত দেওয়া অসম্ভব হয়ে গেছে। বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। পড়াশোনা করতে বাইরে যাওয়া অনেক কষ্ট হয়ে গেছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এ জেলার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।

এদিকে জেলা-উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, বিভিন্ন এনজিও, সামাজিক সংস্থা শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় কম।