, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি’র নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমানের গণসংযোগ ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: আলহাজ্ব মশিউর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দামুড়হুদায় অবহিতকরণ সভা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দর্শনায় দোয়া মাহফিল চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে ভিডিপি দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের কাগজ চাওয়ায় পুলিশকে হুমকি, তিন যুবক আটক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার ২টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের ৪ প্রার্থীর হলফনামা অসহায় প্রতিবন্ধী সুমন আলীর পাশে দাঁড়ালেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান টানা ৫ দিনের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা:তাপমাত্রা ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিলারের সঙ্গে ধাক্কায় যুবক নিহত, আহত ১

দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় জেলা বিএনপির সভাপতি বাবু খানের নির্বাচনী পথসভা

  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২৯ পড়া হয়েছে

 

বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, “দিনের ভোট রাতে হয়ে গেছে, আপনার ভোট অন্য কেউ দিয়ে গেছে। ভোটকেন্দ্রে আমি, আপনি, আমরা কেউই যেতে পারিনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন আমাদের কাছে এক দুঃস্বপ্নের মতো। ওই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন নির্ধারিত ছিল।

২৫ ডিসেম্বর এসপি সাহেব আমাকে ফোন করে বলেন, ‘বাবু সাহেব, কাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় যাবেন না।’ আমি জানতে চাই, কেন যাব না? তিনি বলেন, ‘আপনার নিরাপত্তা দিতে পারব না।’ তখন আমি বলেছিলাম, ‘আমি রাজনীতি করি, নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। নিরাপত্তা দেওয়া বা না দেওয়া আপনার বিষয়, আমি ঠিকই প্রচারণায় যাব।’ ২৬ তারিখ উথলীতে প্রচারণায় গেলে আমার সঙ্গে থাকা কর্মীদের রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরে আসতে হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো সহযোগিতা করেনি। হয়তো ২০১৮ সালে আমরা ভোট করতে পারিনি, কিন্তু আমাদের সংগ্রাম ও আন্দোলন বৃথা যায়নি।”

শনিবার (১ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। ওই দিন তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মোট সাতটি পথসভা করেন।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি প্রকাশ্যে দিবালোকে। কোনো দলের মতো গোপনে রাজনীতি করিনি, দলের ভেতর দল তৈরি করিনি। আমরা জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী, প্রকাশ্যে সব সময় একই কথা বলেছি আমরা বিএনপি করি, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি। আমরা কারও গোয়েন্দাগিরি করিনি, আমাদের ইমান বিক্রি করিনি, কেবলা পরিবর্তন করিনি। যারা আজ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, তারা এ দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।”

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, “১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা আমরা জানি। এখন তারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য মায়াকান্না করে। যারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের এই মায়াকান্না আসলে এক ধরনের বিভ্রান্তি। এ কারণেই তারা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য কিংবা কৃষির কথা বলে না। তারা শুধু বলে ‘বেহেশতের টিকিট বিক্রি’ এসব অচল কথা। এসব এখন আর চলে না। কীভাবে বেহেশতে যাওয়া যায়, তা আমরা জানি।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিলটন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম,চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান।কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলি ভুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম টুটুল প্রমুখ

জনপ্রিয়

দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি’র নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমানের গণসংযোগ

দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় জেলা বিএনপির সভাপতি বাবু খানের নির্বাচনী পথসভা

প্রকাশের সময় : ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

 

বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, “দিনের ভোট রাতে হয়ে গেছে, আপনার ভোট অন্য কেউ দিয়ে গেছে। ভোটকেন্দ্রে আমি, আপনি, আমরা কেউই যেতে পারিনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন আমাদের কাছে এক দুঃস্বপ্নের মতো। ওই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন নির্ধারিত ছিল।

২৫ ডিসেম্বর এসপি সাহেব আমাকে ফোন করে বলেন, ‘বাবু সাহেব, কাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় যাবেন না।’ আমি জানতে চাই, কেন যাব না? তিনি বলেন, ‘আপনার নিরাপত্তা দিতে পারব না।’ তখন আমি বলেছিলাম, ‘আমি রাজনীতি করি, নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। নিরাপত্তা দেওয়া বা না দেওয়া আপনার বিষয়, আমি ঠিকই প্রচারণায় যাব।’ ২৬ তারিখ উথলীতে প্রচারণায় গেলে আমার সঙ্গে থাকা কর্মীদের রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরে আসতে হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো সহযোগিতা করেনি। হয়তো ২০১৮ সালে আমরা ভোট করতে পারিনি, কিন্তু আমাদের সংগ্রাম ও আন্দোলন বৃথা যায়নি।”

শনিবার (১ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। ওই দিন তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মোট সাতটি পথসভা করেন।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি প্রকাশ্যে দিবালোকে। কোনো দলের মতো গোপনে রাজনীতি করিনি, দলের ভেতর দল তৈরি করিনি। আমরা জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী, প্রকাশ্যে সব সময় একই কথা বলেছি আমরা বিএনপি করি, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি। আমরা কারও গোয়েন্দাগিরি করিনি, আমাদের ইমান বিক্রি করিনি, কেবলা পরিবর্তন করিনি। যারা আজ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, তারা এ দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।”

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, “১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা আমরা জানি। এখন তারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য মায়াকান্না করে। যারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের এই মায়াকান্না আসলে এক ধরনের বিভ্রান্তি। এ কারণেই তারা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য কিংবা কৃষির কথা বলে না। তারা শুধু বলে ‘বেহেশতের টিকিট বিক্রি’ এসব অচল কথা। এসব এখন আর চলে না। কীভাবে বেহেশতে যাওয়া যায়, তা আমরা জানি।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিলটন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম,চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান।কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলি ভুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম টুটুল প্রমুখ