, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৩, রোগী ভর্তি: পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত সকলের সহযোগিতায় একটি আধুনিক উন্নত চুয়াডাঙ্গা গড়তে পারব : নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহার চুয়াডাঙ্গায় একই ব্যক্তির নামে দুটি মাজার! জনমনে নানা প্রশ্ন টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গার মানুষ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় দামুড়হুদায় পেঁয়াজের দামে হতাশ চাষিরা, গুনতে হচ্ছে লোকসান চুয়াডাঙ্গার ৪ উপজেলায় ৫০ হাজার ফুয়েল কার্ড বিতরণ: শুক্রবার জেলার যে সকল পাম্পে আজ তেল বিতরণ করা হবে চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রদলের মতবিনিময় সভায় শরীফুজ্জামান শরীফ ঝিনাইদহে বিপন্ন মেছো বিড়ালের দুটি শাবক উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্ত

ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা চলছে

  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩৬ পড়া হয়েছে

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার কিছুক্ষণ পরে এই ফল ঘোষণা শুরু হয়। প্রথমে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে।

অমর একুশে হল কেন্দ্রে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম ৬৪৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১৪১ ভোট।
ভিপি পদে অন্যদের মধ্যে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৯০ ভোট এবং আব্দুল কাদের পেয়েছেন ৩০টি ভোট।

এদিকে অমর একুশে হলে জিএস পদে শিবিরের এস এম ফরহাদ ৪৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাগছাস সমর্থিত জিএস প্রার্থী বাকের মজুমদার পেয়েছেন ১৮৭টি ভোট।

এ ছাড়া ছাত্রদলের শেখ তানভীর বারী হামিম পেয়েছেন ১৮০ ভোট, মেঘমল্লার বসু ৮৬, আল সাদী ভুঁইয়া ৬টি ভোট পেয়েছেন।

অমর একুশে হলে এজিএস পদেও বিপুল ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মহিউদ্দিন খান। তিনি পেয়েছেন ৫২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ১৪১ ভোট।

এদিকে কবি সুফিয়া কামাল হলেও এগিয়ে আছেন সাদিক কায়েম। তিনি পেয়েছেন ১২৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৫৪৭টি ভোট।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৪৮৫ ভোট।

ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪২৩ ভোট। আবিদুল সুফিয়া কামাল হল কেন্দ্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।
এ ছাড়া সুফিয়া কামাল হলে বাগছাসের আব্দুল কাদের পেয়েছেন ৫৫ ভোট, জামাল উদ্দীন খালিদ পেয়েছেন ৪৭ ভোট, ছাত্র অধিকার পরিষদের বিন ইয়ামীন মোল্লা পেয়েছেন ৭ ভোট।

এবারের নির্বাচনে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ভোট দিয়েছেন রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৫ হাজার ৬৬৫ জন। সেখানে ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট প্রয়োগ করেছেন।

নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিজয় একাত্তর হল, স্যার এ এফ রহমান হল ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে বিজয় একাত্তর হলের ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ, স্যার এ এফ রহমান হলের ৮২ দশমিক ৫০ শতাংশ ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৮৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৯৬ জন। এখানে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৫৫ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ৬৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ৬৭ দশমিক ০৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

কার্জন হলে ভোট দিয়েছেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৭৭ জন। এর মধ্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের ৮০ দশমিক ২৪ শতাংশ, অমর একুশে হলের ৮৩ দশমিক ৩০ শতাংশ ও ফজলুল হক মুসলিম হলের ৮১ দশমিক ৪৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

উদয়ন স্কুল কেন্দ্রে মাস্টারদা সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ১৫৫ জন। এর মধ্যে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ৮৮ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ৭৫ শতাংশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৮৭ শতাংশ ও কবি জসীম উদ্দীন হলের ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট প্রয়োগ করেছেন।

শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ৪ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে জগন্নাথ হলের ৮২ দশমিক ৪৪ শতাংশ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ৮৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

এবার মোট ভোটার ছিলেন মোট ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা চলছে

প্রকাশের সময় : ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার কিছুক্ষণ পরে এই ফল ঘোষণা শুরু হয়। প্রথমে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে।

অমর একুশে হল কেন্দ্রে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম ৬৪৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১৪১ ভোট।
ভিপি পদে অন্যদের মধ্যে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৯০ ভোট এবং আব্দুল কাদের পেয়েছেন ৩০টি ভোট।

এদিকে অমর একুশে হলে জিএস পদে শিবিরের এস এম ফরহাদ ৪৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাগছাস সমর্থিত জিএস প্রার্থী বাকের মজুমদার পেয়েছেন ১৮৭টি ভোট।

এ ছাড়া ছাত্রদলের শেখ তানভীর বারী হামিম পেয়েছেন ১৮০ ভোট, মেঘমল্লার বসু ৮৬, আল সাদী ভুঁইয়া ৬টি ভোট পেয়েছেন।

অমর একুশে হলে এজিএস পদেও বিপুল ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মহিউদ্দিন খান। তিনি পেয়েছেন ৫২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ১৪১ ভোট।

এদিকে কবি সুফিয়া কামাল হলেও এগিয়ে আছেন সাদিক কায়েম। তিনি পেয়েছেন ১২৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৫৪৭টি ভোট।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৪৮৫ ভোট।

ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪২৩ ভোট। আবিদুল সুফিয়া কামাল হল কেন্দ্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।
এ ছাড়া সুফিয়া কামাল হলে বাগছাসের আব্দুল কাদের পেয়েছেন ৫৫ ভোট, জামাল উদ্দীন খালিদ পেয়েছেন ৪৭ ভোট, ছাত্র অধিকার পরিষদের বিন ইয়ামীন মোল্লা পেয়েছেন ৭ ভোট।

এবারের নির্বাচনে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ভোট দিয়েছেন রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৫ হাজার ৬৬৫ জন। সেখানে ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট প্রয়োগ করেছেন।

নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিজয় একাত্তর হল, স্যার এ এফ রহমান হল ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে বিজয় একাত্তর হলের ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ, স্যার এ এফ রহমান হলের ৮২ দশমিক ৫০ শতাংশ ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৮৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৯৬ জন। এখানে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৫৫ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ৬৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ৬৭ দশমিক ০৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

কার্জন হলে ভোট দিয়েছেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৭৭ জন। এর মধ্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের ৮০ দশমিক ২৪ শতাংশ, অমর একুশে হলের ৮৩ দশমিক ৩০ শতাংশ ও ফজলুল হক মুসলিম হলের ৮১ দশমিক ৪৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন।

উদয়ন স্কুল কেন্দ্রে মাস্টারদা সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ১৫৫ জন। এর মধ্যে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ৮৮ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ৭৫ শতাংশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৮৭ শতাংশ ও কবি জসীম উদ্দীন হলের ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট প্রয়োগ করেছেন।

শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ৪ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে জগন্নাথ হলের ৮২ দশমিক ৪৪ শতাংশ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ৮৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

এবার মোট ভোটার ছিলেন মোট ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।