, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশ গড়ার পরিকল্পনা ১৭ বছর সংগ্রাম করেছি : মাহমুদ হাসান খান বাবু চুয়াডাঙ্গায় কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল দাবিতে শিক্ষা সচিবের বৈঠক দর্শনার কেরু শতকোটি টাকা বিনিয়োগেও কার্যত অচল কেরু চিনিকল দর্শনার কেরু শতকোটি টাকা বিনিয়োগেও কার্যত অচল কেরু চিনিকল জীবননগরে সাংবাদিকদের সাথে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু’র মতবিনিময় মুসলিম বিশ্বে আর কোন নেতা বা নেত্রীর ভাগ্যে জোঠেনি: মাহমুদ হাসান খান বাবু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে মরা মুরগি ফেলে জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গায় জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনে হাহাকার হাসপাতালে সাপ্লাই বন্ধ, মিলছে না ফার্মেসিতেও হাড়কাঁপানো শীত কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা ,তাপমাত্রা নামল ৭ ডিগ্রিতে দামুড়হুদায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহে’র মাগফিরাত কামনায় দোয়া

চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৬ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আলোচিত মন্টু মিয়া হত্যা মামলায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও একজন পলাতক ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বারুইপাড়ার মৃত তোয়াক্কেল মণ্ডলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৭), একই এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আসান ওরফে তোতা মিয়া (৪৬) (পলাতক), ডাক্তারপাড়ার লাল চাঁদ মণ্ডলের ছেলে বাবু (৪৬), এবং মল্লিকপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩৯)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৬ মে রাতে জয়রামপুর গ্রামে নিজ ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সশস্ত্র হামলার শিকার হন দিনমজুর মন্টু মিয়া (৩০)। দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের মা হাজেরা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান ওই বছরের ৩০ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেন বিচার চলাকালীন মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিতিতে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত চার জনের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন। রায়ের পর আদালত মামলার নথি নিষ্পত্তি করেন এবং পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন

জনপ্রিয়

দেশ গড়ার পরিকল্পনা ১৭ বছর সংগ্রাম করেছি : মাহমুদ হাসান খান বাবু

চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আলোচিত মন্টু মিয়া হত্যা মামলায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও একজন পলাতক ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বারুইপাড়ার মৃত তোয়াক্কেল মণ্ডলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৭), একই এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আসান ওরফে তোতা মিয়া (৪৬) (পলাতক), ডাক্তারপাড়ার লাল চাঁদ মণ্ডলের ছেলে বাবু (৪৬), এবং মল্লিকপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩৯)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৬ মে রাতে জয়রামপুর গ্রামে নিজ ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সশস্ত্র হামলার শিকার হন দিনমজুর মন্টু মিয়া (৩০)। দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের মা হাজেরা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান ওই বছরের ৩০ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেন বিচার চলাকালীন মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিতিতে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত চার জনের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন। রায়ের পর আদালত মামলার নথি নিষ্পত্তি করেন এবং পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন