, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দামুড়হুদায় পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কারাগারে শ্বশুর দর্শনাবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন নতুন উপজেলা গঠনের ঘোষণার দাবি চুয়াডাঙ্গায় ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্থিরতা, প্রতিবাদে মানববন্ধন চুয়াডাঙ্গায় গলায় ট্যাবলেট আটকে শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমাণ ওষুধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার দামুড়হুদায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযানে চার জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দামুড়হুদায় অবৈধ বাঁধ অপসারণ ও চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে জাল ধ্বংস দামুড়হুদায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত চুয়াডাঙ্গায় গোপনে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি,৩০ হাজার টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে মুক্ত দিবস পালিত

  • প্রকাশের সময় : ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৭ পড়া হয়েছে

 

শিমুল রেজা
বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গা মুক্ত দিবস পালিত আজ ৭ই ডিসেম্বর। চুয়াডাঙ্গা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শত্রুমুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা। দিবসটিকে ঘিরে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই নানা কর্মসূচির পালন করা হয়েছে। এদিন সকাল ৬টায় শহরের শহীদ হাসান চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চুয়াডাঙ্গা জেলা কমান্ড ইউনিট। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় বেলুন উড়িয়ে দিনের কর্মসূচীর শুভ সূচনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও বীর প্রতীক সাইদুর রহমান। পরে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর প্রতীক সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ছিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগী প্রধান ড. মুন্সি আবু সাইফ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ এর ৬ই ডিসেম্বর পাকবাহিনী মেহেরপুর থেকে ২৮ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে চুয়াডাঙ্গায় আসে। এদিকে চুয়াডাঙ্গার মুক্তিবাহিনীরা দর্শনার মিত্রবাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের দিকে অগ্রসর হয়। খবর পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় শহরের মাথাভাঙ্গা ব্রিজ বোমা হামলায় উড়িয়ে দেয় হানাদার বাহিনী। কিন্তু দর্শনা থেকে আসা মিত্রবাহিনী ও চুয়াডাঙ্গার মুক্তিবাহিনী পৌঁছালে ৭ই ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীরা চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা ছেড়ে কুষ্টিয়ার দিকে চলে যায়। এতে শত্রুমুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা

জনপ্রিয়

দামুড়হুদায় পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কারাগারে শ্বশুর

চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে মুক্ত দিবস পালিত

প্রকাশের সময় : ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

শিমুল রেজা
বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গা মুক্ত দিবস পালিত আজ ৭ই ডিসেম্বর। চুয়াডাঙ্গা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শত্রুমুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা। দিবসটিকে ঘিরে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই নানা কর্মসূচির পালন করা হয়েছে। এদিন সকাল ৬টায় শহরের শহীদ হাসান চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চুয়াডাঙ্গা জেলা কমান্ড ইউনিট। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় বেলুন উড়িয়ে দিনের কর্মসূচীর শুভ সূচনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও বীর প্রতীক সাইদুর রহমান। পরে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর প্রতীক সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ছিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগী প্রধান ড. মুন্সি আবু সাইফ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ এর ৬ই ডিসেম্বর পাকবাহিনী মেহেরপুর থেকে ২৮ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে চুয়াডাঙ্গায় আসে। এদিকে চুয়াডাঙ্গার মুক্তিবাহিনীরা দর্শনার মিত্রবাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের দিকে অগ্রসর হয়। খবর পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় শহরের মাথাভাঙ্গা ব্রিজ বোমা হামলায় উড়িয়ে দেয় হানাদার বাহিনী। কিন্তু দর্শনা থেকে আসা মিত্রবাহিনী ও চুয়াডাঙ্গার মুক্তিবাহিনী পৌঁছালে ৭ই ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীরা চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা ছেড়ে কুষ্টিয়ার দিকে চলে যায়। এতে শত্রুমুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা