
চুয়াডাঙ্গা সামাজিক বনায়ন ও নার্সারি এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাগানে ৩টি তক্ষক অবমুক্ত করা হয়। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় এ অবমুক্ত করন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার আদালতে এক আদেশে এই তক্ষকগুলো অবমুক্ত করার আদেশ দেন।

চুয়াডাঙ্গা বন বিভাগের রেঞ্জ সহকারী শাহজামান রিপন জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল আজিজ নামের এক ব্যক্তি খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি এলাকার গাছ থেকে তক্ষকগুলো ধরে আনেন। এরপর নিজ বাড়িতে লুকিয়ে লালন-পালন করছিলেন। প্লাস্টিকের ঝুড়িতে রেখে তিনি তক্ষকগুলো বড় করছিলেন। গত বুধবার রাতে মেহেরপুর গাংনী র্যাব ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে তক্ষক তিনটি উদ্ধার করে। পরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত তক্ষকগুলোর বাজার মূল্য ৬০ লাখ টাকা। এগুলো বিরল প্রজাতির প্রাণী। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন সবাইকে মেনে চলতে হবে। অবৈধভাবে এগুলো সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ। আদালতের মাধ্যমে আমরা বিলুপ্তপ্রায় এই প্রাণীগুলো পাই।
তক্ষকগুলো অবমুক্তের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের অফিস স্টাফ আবুল হাসনাত রানা, মনিরুল ইসলাম, পরিবেশ কর্মী আহসান হাবীব শিপলু প্রমুখ





















