
স্টাফ রিপোর্টার:-চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন কুড়ুলগাছি পশ্চিমপাড়ার জামসেদের স্ত্রী শেফালীর খাতুনের আড়াই বছরের সন্তান গত জানুয়ারী মাসের ১৬ তারিখে ঝিনাইদহ থেকে মৃত অবস্থায় কুড়ুলগাছিতে নিয়ে আসে।এসময় শিশু নীরবের মুখে সহ শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখে স্থানীয়রা সহ তার স্বামীর পরিবার দাবী তোলে শেফালীর পরকীয়া প্রেমিক ত্রিমোহনী রানা ফারুকের চাতাল মিলের ম্যানেজার টুটুল তাকে হত্যা করেছে।কিন্তু তখন শেফালী ভয়ে চাপে পড়ে সকলকে জানায় তার সন্তানকে কেউ হত্যা করেনি সে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছিলো।নীরবের মৃত্যুর ২১ দিন অতিবাহিত হবার পর শেফালী এখন সত্যিটা সামনে এনে সকলের কাছে স্বীকার করেছে তার সন্তানের মৃত্যুর জন্য টুুটুল দায়ী।শেফালী জানান সে ১ হাজার টাকার জন্য টুটুলের কাছে ফোন করলে টুটুল তাকে তিন হাজার টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঝিনাইদহে ডেকে নেই ও বলে তুমি রাত টুকু থেকে চলে যাবে।টুটুলের কথামত সে তার শিশু সন্তান নীরবকে নিয়ে ত্রিমোহনী টুটুলের কাছে যায়।সেখানে শেফালীর কাছ থেকে জোর করে তার বাচ্চাকে নিয়ে দোকানে যায় টুটুল।পরে তাকে আহত অবস্থায় এনে শেফালীর কোলে দেই।শেফালী টুটুলের কাছে জানতে চাই তার ছেলের কেন এ অবস্থা টুটুল জানাই সে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এবং সে আরো সে নীরবকে জুস কিনে খাইয়ে দিয়েছে তারপর সে বমি করেছে।টুটুল তখন তরিঘড়ি করে একটি মাইক্রো দেখে শেফালীকে তার সন্তান সহ কুড়ুলগাছি পাঠিয়ে দেই।শেফালী তখন বুঝতে পারে তার সন্তান আর বেঁচে নেই।তখন শেফালীকে টুটুল হুমকি দিয়ে বলে তুই এ ঘটনা কাউকে বললে তোকেই শেষ করে দেবো।পরবর্তীতে শেফালী বাড়ি এসে বলে তার ছেলে পড়ে গিয়ে আহত হয় ও মারা গেছে।শেফালী জানান আমি ন্যায় বিচার চাই।টুটুলের শাস্তি চাই। তার ফাঁসি চাই।প্রয়োজনে আমার সন্তানের লাশ তুলে ময়না তদন্ত করা হোক।তাহলে সত্যিটা বের হয়ে আসবে। আর আমার সন্তান মারা যাবার পর টুটুল আমাকে বারবার ফোন করে ঘটনা চেপে যাবার জন্য বলতে থাকে।যার রেকর্ড আমার কাছে আছে।এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত টুটুলের মুঠোফোনে কল করলে তিনি নিজেকে প্রথমে টুটুল বলে স্বীকার করলেও সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন।স্থানীয়রা জানান শেফালী অসহায় গরীব মানুষ।চাতালে কাজ করে খাই।তার ন্যায় বিচার পেতে সহায়তা করতে মানবাধিকার সংস্থা গুলোর এগিয়ে আসা প্রয়োজন
অভিযুক্ত টুটুলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যাবস্থা নিতে শিশু নীরব হত্যার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা সংস্থা গুলো সহ মানবাধিকার সংস্থা গুলোর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল।










