, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নেতৃত্ব চলছে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,দুর্ঘটনা রোধে আপনার সন্তানের হাতে বাইক নয়,আলহাজ্ব মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা: সরোয়ার হোসেন দর্শনা পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা: শরীফ উদ্দীন দর্শনা পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা:নাহারুল ইসলাম মাস্টার চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা: আব্দুল কুদ্দুস চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা: মোস্তাক আহমেদ চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা:মোঃ হিরন বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা: মাহমুদ হাসান খান বাবু পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা:আশরাফুল হক বিপ্লব

অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,দুর্ঘটনা রোধে আপনার সন্তানের হাতে বাইক নয়,আলহাজ্ব মশিউর রহমান

  • প্রকাশের সময় : ১৭ ঘন্টা আগে
  • ১৭ পড়া হয়েছে

 

শিমুল রেজা,
ঈদুল আজহায় বাড়িতে একটা আলাদা উত্তেজনা থাকে। পশু কোরবানির প্রস্তুতি, আত্মীয়স্বজনের আসা-যাওয়া, মাংস ভাগাভাগি। সব মিলিয়ে বড়রা এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে, শিশুরা কখন কোথায় কী করছে, সেটা খেয়াল রাখা কঠিন হয়ে যায়। আর ঠিক এই ফাঁকেই ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। বাবা, চাচা, মামা, আত্মীয়-স্বজন অথবা বন্ধুবান্ধব যারই বাইক হোক না কেন, একটু ফাঁক বা চাবি হাতে পেলেই সমবয়সী বন্ধুসহ বাইক নিয়ে দাপড়ে বেড়াচ্ছে মহাসড়ক। পথ চলতে গিয়ে কিশোর ও যুবকদের বাইকের গতি দেখে ভয় পেতে হচ্ছে পথচারীদের। দুর্ঘটনার পরিণাম জানা সত্ত্বেও অনেক সচেতন বাবা বা অভিভাবককেও দেখা যায় ১৩-১৫ বছর বয়সী কিশোর সন্তানের হাতে বাইক তুলে দিচ্ছে। রাস্তায় উঠলেই চোখে পড়ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কিশোররা ৩ জন বা কখনো ৪ জন করে বাইক নিয়ে ছুটে যেতে, কখনোবা তারা দল বেধে বাইকে প্রতিযোগিতায় মেতে উঠছে। দেখে মনে হবে, কিশোরদের বাইক চালানো যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আর ১০০ কিমি বা তার অধিক গতিতে না চালালে যেন স্বস্তি নেই তাদের! এটাই হলো দুর্ঘটনার অন্যতম বড় কারণ।

 

ঈদের আনন্দ নিরাপদ ও সন্তানদের নিরাপত্তার কথা ভেবে, বি.কম(অনার্স), এম.কম(হিসাব বিজ্ঞান)ও দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্রভাষক, মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সভাপতি আলহাজ্ব মশিউর রহমান তিনি অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সন্তানের কান্না জেদ বা কোন ধরনের বেহিসেবি আব্দারের কাছে আত্মসমর্পন করা যাবে না, যে পিতা তার কিশোর পুত্রের হাতে মোটরসাইকেলের চাবি তুলে দেয় সেই পিতাকে অবশ্যই ভাবতে হবে তার সন্তান নিশ্চিত দূর্ঘটনার কবলে পড়তে যাচ্ছে। আমার সন্তানকে মৃত্যু হাত থেকে রক্ষা করতে কোন ভাবেই তার হাতে মোটরসাইকেল দেওয়া হতে বিরত থাকতে হবে। কিশোর তরুণরা কেবল পরিবারের নয় তারা দেশের সম্পদ। একটি স্বপ্ন, একটি ভবিষ্যৎ। একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু মানে একটি পরিবারের অর্থনৈতিক বিপর্যয়। একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু মানে একটি জাতির সম্ভাবনার মৃত্যু।

আলহাজ্ব মশিউর রহমান আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, প্রতি বছর ঈদযাত্রা আমাদের জন্য মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বর্তমানে এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক ঈদযাত্রার দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট দুর্ঘটনার বড় একটি অংশ মোটরসাইকেল কেন্দ্রিক। শুধু ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরেই ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত হয়েছেন। অনেক তরুণ দ্রুত বাড়ি পৌঁছানোর জন্য ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে দূরপাল্লার যাত্রা করেন। হেলমেট ব্যবহার না করা, তিনজন বহন করা এবং অতিরিক্ত গতিতে চালানোর কারণে দুর্ঘটনা মারাত্মক হয়ে ওঠে।

 

ঈদের আনন্দ হোক নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত। আর কোনো মায়ের বুক খালি না হোক, আর কোনো শিশু এতিম না হোক, আর কোনো পরিবার প্রিয়জন হারিয়ে শোকের সাগরে ডুবে না যাক। ঈদ-উল-আজহা সবার জন্য হোক আনন্দময়। সবাইকে ঈদুল আযহারের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।

জনপ্রিয়

দর্শনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নেতৃত্ব চলছে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ

অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,দুর্ঘটনা রোধে আপনার সন্তানের হাতে বাইক নয়,আলহাজ্ব মশিউর রহমান

প্রকাশের সময় : ১৭ ঘন্টা আগে

 

শিমুল রেজা,
ঈদুল আজহায় বাড়িতে একটা আলাদা উত্তেজনা থাকে। পশু কোরবানির প্রস্তুতি, আত্মীয়স্বজনের আসা-যাওয়া, মাংস ভাগাভাগি। সব মিলিয়ে বড়রা এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে, শিশুরা কখন কোথায় কী করছে, সেটা খেয়াল রাখা কঠিন হয়ে যায়। আর ঠিক এই ফাঁকেই ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। বাবা, চাচা, মামা, আত্মীয়-স্বজন অথবা বন্ধুবান্ধব যারই বাইক হোক না কেন, একটু ফাঁক বা চাবি হাতে পেলেই সমবয়সী বন্ধুসহ বাইক নিয়ে দাপড়ে বেড়াচ্ছে মহাসড়ক। পথ চলতে গিয়ে কিশোর ও যুবকদের বাইকের গতি দেখে ভয় পেতে হচ্ছে পথচারীদের। দুর্ঘটনার পরিণাম জানা সত্ত্বেও অনেক সচেতন বাবা বা অভিভাবককেও দেখা যায় ১৩-১৫ বছর বয়সী কিশোর সন্তানের হাতে বাইক তুলে দিচ্ছে। রাস্তায় উঠলেই চোখে পড়ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কিশোররা ৩ জন বা কখনো ৪ জন করে বাইক নিয়ে ছুটে যেতে, কখনোবা তারা দল বেধে বাইকে প্রতিযোগিতায় মেতে উঠছে। দেখে মনে হবে, কিশোরদের বাইক চালানো যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আর ১০০ কিমি বা তার অধিক গতিতে না চালালে যেন স্বস্তি নেই তাদের! এটাই হলো দুর্ঘটনার অন্যতম বড় কারণ।

 

ঈদের আনন্দ নিরাপদ ও সন্তানদের নিরাপত্তার কথা ভেবে, বি.কম(অনার্স), এম.কম(হিসাব বিজ্ঞান)ও দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্রভাষক, মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সভাপতি আলহাজ্ব মশিউর রহমান তিনি অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সন্তানের কান্না জেদ বা কোন ধরনের বেহিসেবি আব্দারের কাছে আত্মসমর্পন করা যাবে না, যে পিতা তার কিশোর পুত্রের হাতে মোটরসাইকেলের চাবি তুলে দেয় সেই পিতাকে অবশ্যই ভাবতে হবে তার সন্তান নিশ্চিত দূর্ঘটনার কবলে পড়তে যাচ্ছে। আমার সন্তানকে মৃত্যু হাত থেকে রক্ষা করতে কোন ভাবেই তার হাতে মোটরসাইকেল দেওয়া হতে বিরত থাকতে হবে। কিশোর তরুণরা কেবল পরিবারের নয় তারা দেশের সম্পদ। একটি স্বপ্ন, একটি ভবিষ্যৎ। একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু মানে একটি পরিবারের অর্থনৈতিক বিপর্যয়। একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু মানে একটি জাতির সম্ভাবনার মৃত্যু।

আলহাজ্ব মশিউর রহমান আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, প্রতি বছর ঈদযাত্রা আমাদের জন্য মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বর্তমানে এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক ঈদযাত্রার দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট দুর্ঘটনার বড় একটি অংশ মোটরসাইকেল কেন্দ্রিক। শুধু ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরেই ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত হয়েছেন। অনেক তরুণ দ্রুত বাড়ি পৌঁছানোর জন্য ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে দূরপাল্লার যাত্রা করেন। হেলমেট ব্যবহার না করা, তিনজন বহন করা এবং অতিরিক্ত গতিতে চালানোর কারণে দুর্ঘটনা মারাত্মক হয়ে ওঠে।

 

ঈদের আনন্দ হোক নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত। আর কোনো মায়ের বুক খালি না হোক, আর কোনো শিশু এতিম না হোক, আর কোনো পরিবার প্রিয়জন হারিয়ে শোকের সাগরে ডুবে না যাক। ঈদ-উল-আজহা সবার জন্য হোক আনন্দময়। সবাইকে ঈদুল আযহারের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।