, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দামুড়হুদার শিবনগরে গাছ চুরির মামলায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার মিঠুসহ চার জন আসামিকে জেলা করাগারে প্রেরণ আলহাজ্ব মশিউর রহমানকে দর্শনা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চায় সর্বস্তরের জনগণ: ব্যক্তি জীবনে তিনি উদার মনের মানুষ চুয়াডাঙ্গা ও হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে বদলি চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর জামায়াত নেতার মৃত্যু এখন সরকারের কাছে পৌঁছানো যায়, আগে সম্ভব ছিল না: বিজিএমইএ সভাপতি চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক্টর মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সঙ্গে সংঘর্ষে আরোহী নিহত চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে কারাভোগ শেষে ফিরে গেলেন ভারতীয় নাগরিক কুষ্টিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ ইবি শিক্ষিকা হত্যার আসামি দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত চুয়াডাঙ্গায় লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টার সিলগালা, দুই লাখ টাকা জরিমানা

দামুড়হুদার শিবনগরে গাছ চুরির মামলায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার মিঠুসহ চার জন আসামিকে জেলা করাগারে প্রেরণ

  • প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
  • ৩ পড়া হয়েছে

 

 

দামুড়হুদা উপজেলার শিবনগরে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ১৮ বিঘা জমির ওপর একটি আমবাগানে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একদল দুর্বৃত্ত অনধিকার প্রবেশ করে ১১০ টি গাছ চুরি করে কেটে নিয়ে গেছে এবং কিছু আম গাছের ডাল ক্ষতি সাধন করেছে।। যার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ২৮ হাজার টাকা। এঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে এজাহারভুক্ত চার আসামি গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে, গতকাল বুধবার দুপরে গ্রেপ্তারকৃত চার আসামি মো. করিমুজ্জামান ওরফে মিঠু, বকুল শেখ, নজরুল ইসলাম ও ওসমান আলীকে দামুড়হুদার আমলী আদালতে পুলিশ নিলে আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পরান ঢালী আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এঘটনায় জমির মালিক দামুড়হুদার চন্দ্রবাস গ্রামের মৃত মওলা বকসের ছেলে বাহালুল হক বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে দামৃুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।
অপরদিকে, গাছ চুরির ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ এজাহারভুক্ত চার আসামি গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, চুয়াডাঙ্গার মুক্তিপাড়ার মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার করিমুজ্জামান ওরফে মিঠু (৫৫), চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার মৃত হায়দার আলীর ছেলে বকুল শেখ (৫১). দামুড়হুদার কুতুবপুর গ্রামের সুরত আলী মন্ডলের ছেলে নজরুল ইসলাম (৬৫) এবং একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে ওসমান আলী (৪৫) । আসামিদের বিরুদ্ধে ৪৪৭/৩৭৯/৪২৭/৫০৬/৩৪ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় বলা হয়েছে, দামুড়হুদার শিবনগর ডিসি ইকো পার্কের সামনে মামলার বাদীর প্রায় ১৮ বিঘা জমির ওপর মেহগনি, লম্বু, আম গাছসহ বিভিন্ন ধরণের গাছের বাগান আছে। গত ৯ মার্চ বেলা ১১ টার দিকে কে বা কারা গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পান। পরবর্তীতে বাদী বাগানে গিয়ে গাছ কাটার কারণ জিজ্ঞাসা করলে আসামিরা গালি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকী দেয়। পরবর্তীতে থানায় এসে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অন্য আসামিরা হলো, দামুড়হুদার বোয়ালমারি গ্রামের মৃত তৈয়বের ছেলে মজনু (৬০), চন্দ্রবাসের দুরুনের ছেলে ছানোয়ার (৪৫), মুন্সিপুরের রফিকুল (৪৫), চন্দ্রবাসের সুলতানের ছেলে তরিকুল (৩৫) ও মৃত কাজেমের ছেলে নজির (৫০), শিবনগরের জালালের ছেলে রহমান (৪০) এবং অজ্ঞাত ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। চুরি যাওয়া গাছগুলো হলো, ১৫ টি মেহগনি গাছ, ৫টি লম্বু গাছ, ১৮টি কচালম্বু গাছ, ২ টি একাশি গাছ, ৭০ টি বাঁশ গাছ চুরি করে নিয়ে গেছে। যার দাম আনুমানিক ৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। এছাড়া আম গাছসহ বিভিন্ন ধরণের গাছের ডাল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দামুড়হুদা মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শুভজিৎ পাল বলেন, ‘চুরি হওয়া গাছ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি এবং চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। এজাহারভুক্ত বাকী আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।’
প্রসঙ্গত : দামুড়হুদার শিবনগরে এ আমবাগানে একদিল শাহ নামক এক পীরের কথিত মাজার আছে এমন অভিযোগে এ মামলার আসামিরা বিগত ২০ বছর যাবত মামলার বাদী বাহালুল হক ও তার পিতা মওলা বকসের নামে এক ডজনেরও বেশি মামলা দায়ের করেছেন। প্রত্যেকটি মামলায় আদালত থেকে বাদীরা অব্যাহতি পেয়েছে। বর্তমানে দামুড়হুদা সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানী ১১৩/২০০৬ নং মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। উক্ত মোকদ্দমায় এ মামলার বাদী বিবাদী হিসেবে রয়েছেন এবং মামলাটির বিচারাধীরাধীন আছে। উক্ত দেং ১১৩/০৬ নং মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে উক্ত নিষেধাজ্ঞার নামঞ্জুর হয়। প্রকৃতপক্ষে পীর একদিল নামীয় মাজার শরীফ আলমডাঙ্গা থানার দক্ষিণ গোবিন্দপুর ও বেতবাড়িয়া গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত এবং প্রতি বছর ওরষ অনুষ্ঠিত হয়

জনপ্রিয়

দামুড়হুদার শিবনগরে গাছ চুরির মামলায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার মিঠুসহ চার জন আসামিকে জেলা করাগারে প্রেরণ

দামুড়হুদার শিবনগরে গাছ চুরির মামলায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার মিঠুসহ চার জন আসামিকে জেলা করাগারে প্রেরণ

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

 

 

দামুড়হুদা উপজেলার শিবনগরে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ১৮ বিঘা জমির ওপর একটি আমবাগানে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একদল দুর্বৃত্ত অনধিকার প্রবেশ করে ১১০ টি গাছ চুরি করে কেটে নিয়ে গেছে এবং কিছু আম গাছের ডাল ক্ষতি সাধন করেছে।। যার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ২৮ হাজার টাকা। এঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে এজাহারভুক্ত চার আসামি গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে, গতকাল বুধবার দুপরে গ্রেপ্তারকৃত চার আসামি মো. করিমুজ্জামান ওরফে মিঠু, বকুল শেখ, নজরুল ইসলাম ও ওসমান আলীকে দামুড়হুদার আমলী আদালতে পুলিশ নিলে আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পরান ঢালী আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এঘটনায় জমির মালিক দামুড়হুদার চন্দ্রবাস গ্রামের মৃত মওলা বকসের ছেলে বাহালুল হক বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে দামৃুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।
অপরদিকে, গাছ চুরির ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ এজাহারভুক্ত চার আসামি গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, চুয়াডাঙ্গার মুক্তিপাড়ার মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার করিমুজ্জামান ওরফে মিঠু (৫৫), চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার মৃত হায়দার আলীর ছেলে বকুল শেখ (৫১). দামুড়হুদার কুতুবপুর গ্রামের সুরত আলী মন্ডলের ছেলে নজরুল ইসলাম (৬৫) এবং একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে ওসমান আলী (৪৫) । আসামিদের বিরুদ্ধে ৪৪৭/৩৭৯/৪২৭/৫০৬/৩৪ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় বলা হয়েছে, দামুড়হুদার শিবনগর ডিসি ইকো পার্কের সামনে মামলার বাদীর প্রায় ১৮ বিঘা জমির ওপর মেহগনি, লম্বু, আম গাছসহ বিভিন্ন ধরণের গাছের বাগান আছে। গত ৯ মার্চ বেলা ১১ টার দিকে কে বা কারা গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পান। পরবর্তীতে বাদী বাগানে গিয়ে গাছ কাটার কারণ জিজ্ঞাসা করলে আসামিরা গালি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকী দেয়। পরবর্তীতে থানায় এসে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অন্য আসামিরা হলো, দামুড়হুদার বোয়ালমারি গ্রামের মৃত তৈয়বের ছেলে মজনু (৬০), চন্দ্রবাসের দুরুনের ছেলে ছানোয়ার (৪৫), মুন্সিপুরের রফিকুল (৪৫), চন্দ্রবাসের সুলতানের ছেলে তরিকুল (৩৫) ও মৃত কাজেমের ছেলে নজির (৫০), শিবনগরের জালালের ছেলে রহমান (৪০) এবং অজ্ঞাত ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। চুরি যাওয়া গাছগুলো হলো, ১৫ টি মেহগনি গাছ, ৫টি লম্বু গাছ, ১৮টি কচালম্বু গাছ, ২ টি একাশি গাছ, ৭০ টি বাঁশ গাছ চুরি করে নিয়ে গেছে। যার দাম আনুমানিক ৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। এছাড়া আম গাছসহ বিভিন্ন ধরণের গাছের ডাল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দামুড়হুদা মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শুভজিৎ পাল বলেন, ‘চুরি হওয়া গাছ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি এবং চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। এজাহারভুক্ত বাকী আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।’
প্রসঙ্গত : দামুড়হুদার শিবনগরে এ আমবাগানে একদিল শাহ নামক এক পীরের কথিত মাজার আছে এমন অভিযোগে এ মামলার আসামিরা বিগত ২০ বছর যাবত মামলার বাদী বাহালুল হক ও তার পিতা মওলা বকসের নামে এক ডজনেরও বেশি মামলা দায়ের করেছেন। প্রত্যেকটি মামলায় আদালত থেকে বাদীরা অব্যাহতি পেয়েছে। বর্তমানে দামুড়হুদা সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানী ১১৩/২০০৬ নং মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। উক্ত মোকদ্দমায় এ মামলার বাদী বিবাদী হিসেবে রয়েছেন এবং মামলাটির বিচারাধীরাধীন আছে। উক্ত দেং ১১৩/০৬ নং মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে উক্ত নিষেধাজ্ঞার নামঞ্জুর হয়। প্রকৃতপক্ষে পীর একদিল নামীয় মাজার শরীফ আলমডাঙ্গা থানার দক্ষিণ গোবিন্দপুর ও বেতবাড়িয়া গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত এবং প্রতি বছর ওরষ অনুষ্ঠিত হয়