, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনায় যুবদলের নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, থানায় মামলা ১৩ মে থেকে চুয়াডাঙ্গায় আম সংগ্রহ শুরু,৩০ হাজার ৮৪২ মেট্রিকটন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ দামুড়হুদার ডুগডুগী বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান : মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রির দায়ে অর্থদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় সালিশ শুরুর আগেই পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১ চুয়াডাঙ্গায় কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় টানা বৃষ্টিতে কৃষকের স্বপ্নের ইরি-বোরো ধান পানিতে চোখের সামনে ভাসছে চুয়াডাঙ্গায় জন্ম সনদ জালিয়াতি প্রস্তুতকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তাসহ ২ জন গ্রেফতার দর্শনা থানা পুলিশের হাতে ৩৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জীবননগরে বিএনপি নেতা ময়েন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্রমূলক” মামলার প্রতিবাদ ও জামিন পাওয়ায় গণসংবর্ধনা চুয়াডাঙ্গায় গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য হালনাগাদে উদ্যোগ; নীতিগত সমন্বয়ের স্বার্থে তা প্রত্যাহার

জীবননগরে বিএনপি নেতা ময়েন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্রমূলক” মামলার প্রতিবাদ ও জামিন পাওয়ায় গণসংবর্ধনা

  • প্রকাশের সময় : ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ১৩ পড়া হয়েছে

 

 

শিমুল রেজা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন ময়েনের বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা বানোয়াট হত্যা মামলা”র প্রতিবাদ এবং উচ্চ আদালত থেকে অগ্রিম জামিন পাওয়ায় গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় জীবননগর মুক্তমঞ্চে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত শামসুজ্জামান ডাবলু, জামায়াত নেতা দুই সহোদর হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানের স্বরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রবেশদ্বার হাসাদাহ বাজারে আগে থেকেই অবস্থানরত দলীয় নেতা কর্মীরা ছাদ খোলা গাড়িতে নেতাকে নিয়ে শত শত মোটরসাইকেলযোগে এবং বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে ময়েনকে জীবননগর মুক্তমঞ্চে নিয়ে আসে। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসাবে মঈন উদ্দীন ময়েন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং ঐক্যবদ্ধভাবেই আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এমপি টগর আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমাকে প্রধান প্রতিপক্ষ ভাবতো। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও নেতৃত্বকে দমিয়ে রাখতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিতো। সেই সময় আমি ছিলাম ফ্যাসিস্টের দ্বারা জেলার সর্বোচ্চ নির্যাতিত নেতা এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক মামলার আসামি।একইভাবে এখন জামায়াতও আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হয়রানি মূলক মামলা দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। জীবননগরের মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও থাকবো। জনগণের সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। নেতা-কর্মীদের বিপদে আমি সবসময় এগিয়ে আসবো। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জীবননগর উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ, সদস্যসচিব সানোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু তালেব, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, সারোয়ার হোসেন, মিঠু, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বদরউদ্দিন বাদল, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম, কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা রাফিউল, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপি

জনপ্রিয়

দর্শনায় যুবদলের নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, থানায় মামলা

জীবননগরে বিএনপি নেতা ময়েন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্রমূলক” মামলার প্রতিবাদ ও জামিন পাওয়ায় গণসংবর্ধনা

প্রকাশের সময় : ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

 

 

শিমুল রেজা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন ময়েনের বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা বানোয়াট হত্যা মামলা”র প্রতিবাদ এবং উচ্চ আদালত থেকে অগ্রিম জামিন পাওয়ায় গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় জীবননগর মুক্তমঞ্চে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত শামসুজ্জামান ডাবলু, জামায়াত নেতা দুই সহোদর হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানের স্বরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রবেশদ্বার হাসাদাহ বাজারে আগে থেকেই অবস্থানরত দলীয় নেতা কর্মীরা ছাদ খোলা গাড়িতে নেতাকে নিয়ে শত শত মোটরসাইকেলযোগে এবং বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে ময়েনকে জীবননগর মুক্তমঞ্চে নিয়ে আসে। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসাবে মঈন উদ্দীন ময়েন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং ঐক্যবদ্ধভাবেই আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এমপি টগর আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমাকে প্রধান প্রতিপক্ষ ভাবতো। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও নেতৃত্বকে দমিয়ে রাখতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিতো। সেই সময় আমি ছিলাম ফ্যাসিস্টের দ্বারা জেলার সর্বোচ্চ নির্যাতিত নেতা এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক মামলার আসামি।একইভাবে এখন জামায়াতও আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হয়রানি মূলক মামলা দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। জীবননগরের মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও থাকবো। জনগণের সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। নেতা-কর্মীদের বিপদে আমি সবসময় এগিয়ে আসবো। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জীবননগর উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ, সদস্যসচিব সানোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু তালেব, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, সারোয়ার হোসেন, মিঠু, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বদরউদ্দিন বাদল, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম, কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা রাফিউল, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপি