
চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ফুয়েল কার্ডের জন্য শত শত মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় দেখা গেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৯ টায় থেকেই চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলার শত শত চালক ফুয়েল কার্ড পেতে বৈধ কাগজ পত্রের ফটোকপি নিয়ে হাজির হন।
চালকরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন করলেও কখন যে ফুয়েল কার্ড হাতে পাবেন তা কারো জানা নেই। চালকদের দাবি, নিজ নিজ উপজেলায় আবেদন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে এই দুর্ভোগ কমতো অনেকটাই।
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক উজ জামান বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা রোধ করা যাবে। এমনকি কালোবাজারি চেষ্টা যারা করছে তাদেরও নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব হবে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা অনেকটাই স্বাভাবিক হবে।
এদিকে আজ সোমবার এবং আগামীকাল মঙ্গলবার এই দুই দিনের মধ্যে ফুয়েল কার্ড না নেওয়া হলে তেল না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
আগামী ১ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার ২২টি পেট্রোল পাম্পে দেওয়া হবে তেল। এদিকে ফুয়েল কার্ড ছাড়াই কৃষকরা পাম্পে গেলেই তাদের ডিজেল দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসক তেলের কৃত্রিম সংকট দূর করার লক্ষ্যে জেলার প্রতিটা তেল পাম্পে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন।




















