, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের হাতাহাতি! দর্শনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত: ঝিনাইদহের শৈলকুপা এক পরিবারের স্ত্রী সন্তান সহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার দামুড়হুদার শিবনগরে আলোচিত গাছ চুরির মামলায় বাগান মালিককে প্রাণনাশের হুমকি মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দর্শনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পৌর বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গা বাসীসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: রাব্বিক হাসান চুয়াডাঙ্গা বাসীসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: মোস্তাক আহমেদ দর্শনা পৌর বিএনপি নেতার উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থ্য মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ  দর্শনা পৌর বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: মোঃ হাবিবুর রহমান বুলেট চুয়াডাঙ্গা বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: মাহমুদ হাসান খান বাবু

চুয়াডাঙ্গায় জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের হাতাহাতি!

  • প্রকাশের সময় : এক মিনিট আগে
  • ৩ পড়া হয়েছে
শিমুল রেজা
মহান স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করাকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদাহে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলার নাটুদাহ ইউনিয়নে আটকবরে আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমীনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান হয়। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণাসহ তার জীবনী প্রচার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনার সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে বাগবিতণ্ডা হলেও পরে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী নাটুদাহ হাইস্কুলের এক ধর্মীয় শিক্ষকের দিকে তেড়ে যান এবং বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এসময় জামায়াত নেতাকর্মীরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
ঘটনার এক পর্যায়ে নাটুদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শামসুজ্জোহা এবং স্থানীয় বিএনপি সভাপতির ভাই শামসুলের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের আমির নায়েব আলী এবং সেক্রেটারি মো. টিটন দাবি করেন, তারা শুরু থেকেই পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করেছেন। তাদের ভাষ্য, আমরা কোনো সংঘাত চাইনি।
তারা আরও বলেন, একটি জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া দুঃখজনক। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।
দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, সরকারি এ আয়োজনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো সমন্বয় করা হয়নি। তার অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করার পরও উপস্থাপক জামায়াত-সমর্থিত কর্মী স্বাধীনতার ঘোষকের নাম এড়িয়ে যান, যা নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাদের যথাযথভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি এবং সম্মানও দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওবায়দুল্লাহ রহমান সাহেল বলেন, নাটুদাহ এলাকায় যে ঘটনাটি ঘটেছে তা দুঃখজনক। প্রতি বছরের মতো ফুল দেওয়া ও দোয়ার অনুষ্ঠান চলছিল। এখানে আনুষ্ঠানিক কোনো নাম ঘোষণার বিষয় ছিলো না। নাম ঘোষণা তো মাঠের প্রোগ্রামের। কারণ আমরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে গেছি।
তিনি বলেন, প্রথমে পতাকা উত্তোলন, এরপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও পরে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। তবে স্থানীয় বিএনপির নেতারা দাবি করেন, নাম ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নাম ঘোষণা করা হয়নি। পরে সব ঠিক হয়ে গেছে।
জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের হাতাহাতি!

চুয়াডাঙ্গায় জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের হাতাহাতি!

প্রকাশের সময় : এক মিনিট আগে
শিমুল রেজা
মহান স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করাকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদাহে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলার নাটুদাহ ইউনিয়নে আটকবরে আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমীনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান হয়। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণাসহ তার জীবনী প্রচার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনার সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে বাগবিতণ্ডা হলেও পরে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী নাটুদাহ হাইস্কুলের এক ধর্মীয় শিক্ষকের দিকে তেড়ে যান এবং বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এসময় জামায়াত নেতাকর্মীরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
ঘটনার এক পর্যায়ে নাটুদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শামসুজ্জোহা এবং স্থানীয় বিএনপি সভাপতির ভাই শামসুলের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের আমির নায়েব আলী এবং সেক্রেটারি মো. টিটন দাবি করেন, তারা শুরু থেকেই পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করেছেন। তাদের ভাষ্য, আমরা কোনো সংঘাত চাইনি।
তারা আরও বলেন, একটি জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া দুঃখজনক। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।
দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, সরকারি এ আয়োজনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো সমন্বয় করা হয়নি। তার অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করার পরও উপস্থাপক জামায়াত-সমর্থিত কর্মী স্বাধীনতার ঘোষকের নাম এড়িয়ে যান, যা নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাদের যথাযথভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি এবং সম্মানও দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওবায়দুল্লাহ রহমান সাহেল বলেন, নাটুদাহ এলাকায় যে ঘটনাটি ঘটেছে তা দুঃখজনক। প্রতি বছরের মতো ফুল দেওয়া ও দোয়ার অনুষ্ঠান চলছিল। এখানে আনুষ্ঠানিক কোনো নাম ঘোষণার বিষয় ছিলো না। নাম ঘোষণা তো মাঠের প্রোগ্রামের। কারণ আমরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে গেছি।
তিনি বলেন, প্রথমে পতাকা উত্তোলন, এরপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও পরে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। তবে স্থানীয় বিএনপির নেতারা দাবি করেন, নাম ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নাম ঘোষণা করা হয়নি। পরে সব ঠিক হয়ে গেছে।