
সাজ্জাদ হোসেন,
বাঙ্গালীর অতিরিক্ত মিষ্টি প্রিয়তার জন্য তদানিন্ত বৃটিস শাসক গণ অত্র এলাকায় একধিক চিনির কল তৈয়ারী করেন।এই সব চিনির কলের প্রধান কঁাচামাল হচ্ছে আখ।এক সময় অত্র এলাকার চাষীদের প্রধান অর্থকারী ফসল ছিল আখ।কিন্ত দিনে দিনে এই এলাকার চাষীদের মধ্যেআখ চাষের অগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।কারনঃ-বাংলাদেশে বাৎসরিক চিনির চাহিদা ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ২২ লাখ টন। সরকারী মিলগুলু উৎপাদন করেছে মাত্র ২৪ হাজার টন।যা চাহিদার মাত্র দেড় ভাগ।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্যমতে।২০২৪ সালে চিনি অমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১২হাজার ৭শত ১০ কোটি টাকা।
আখ চাষ না করার কারণ সমূহঃ-

চাষী সময় মত আখ বিক্রয় করতে না পারা এবং আখ বিক্রয়ের সময় নানা ভুগান্তিতে পড়ে। বিশেষ করে আখ বিক্রয় করার সময়ে নিজের ইচ্ছে মত সময়ে আখ বিক্রয় করতে পারে না বেশী দিন মিল চললে চাষীর জমিতে মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত আখ থাকে ,সেই ক্ষেত্রে চাষী এত দীর্ঘ সময় জমিতে আখ রাখতে রাজী হয় না। সেই সময়ে চাষী টাকা দিয়ে পূর্র্জি কেনার চেষ্টা করে এর ফলে অসাধু কর্মচারীরা দূনীতে জড়িয়ে পড়ে।এ ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে জমির পরিমান কমে গেছে।
অল্প সময়ে অনেক লাভজনক ফসলের চাষ আসায় এখন অধিকাংশ চাষীরা দীর্ঘ সময়ের আখ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। এ ছাড়া আখ চাষীদের মিল কতৃপক্ষ থেকে কোন বাড়তি সুবিধা না পওয়া।

উত্তরণের উপাযঃ-
আখের পাশাপাশী আখের গুড় দিয়ে মিল চালাতে হবে। এর ফলে চাষী তার সুবিধ সময় মত আখ কেটে জমি খালী করে অন্য চাষ করতে পারবে এবং প্রজনীয় সময় গুড় বিক্রি করে প্রয়োজন মিটাতে পারবে। এর ফলে চাষী অনেক লাভবান হবে।এই ধরনের সুবিধা পেলে চাষী আখ লাগাতে আগ্রহী হবে। চাষীদের বাড়তী সুবিধা দিতে হবে। যেমন-এক নামে ৩০ বিঘা জমিতে যে আখ চাষ করবে তার সুপারিসে একটি মৌসুমী চাকুরী দেওয়া হবে।

বিশেষ করে কেরু এণ্ড কোঃ যেহুত লাভজনক প্রতিষ্টান সেহেতু কেরু এণ্ড কোম্পনী দুই টি হাসপাতাল করতে হবে। একটি শ্রমিক কর্মচারীর জন্য অন্যটি আখচাষী পরিবারের জন্য করতে হবে । সেখানে অল্প খরচে উন্নত বিশেজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে চিকিসৎার ব্যবস্থা করতে হবে। চাষী এই ধরনের সুবিধা পেলে সে আখ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে। মিলের শ্রমিকদের দিয়ে চাষীর আখের তদরকী করতে হবে। পরিশেষে বলতে চায় চাষী কে সুযোগ সুবিধা বেশী দিলে এবং দ্রত সময়ের মধ্যে চাষীর আখ সংগ্রহ করতে পারলে চাষী আখ লাগগাতে অগ্রহী হবে।





















