, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশ গড়ার পরিকল্পনা ১৭ বছর সংগ্রাম করেছি : মাহমুদ হাসান খান বাবু চুয়াডাঙ্গায় কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল দাবিতে শিক্ষা সচিবের বৈঠক দর্শনার কেরু শতকোটি টাকা বিনিয়োগেও কার্যত অচল কেরু চিনিকল দর্শনার কেরু শতকোটি টাকা বিনিয়োগেও কার্যত অচল কেরু চিনিকল জীবননগরে সাংবাদিকদের সাথে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু’র মতবিনিময় মুসলিম বিশ্বে আর কোন নেতা বা নেত্রীর ভাগ্যে জোঠেনি: মাহমুদ হাসান খান বাবু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে মরা মুরগি ফেলে জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গায় জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনে হাহাকার হাসপাতালে সাপ্লাই বন্ধ, মিলছে না ফার্মেসিতেও হাড়কাঁপানো শীত কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা ,তাপমাত্রা নামল ৭ ডিগ্রিতে দামুড়হুদায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহে’র মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৪০ বছরের দাম্পত্যে নির্মম প্রতারণা: পাঁচ সন্তানই নিজের নয়, জানলেন ডিএনএ পরীক্ষায়

  • প্রকাশের সময় : ১১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ আগস্ট ২০২৫
  • ২০৯ পড়া হয়েছে

 

৪০ বছরের দাম্পত্য জীবন। একে একে তাদের ঘরে এসেছে পাঁচ সন্তান। যাদের নিজের সন্তান বলে আদর-স্নেহ দিয়ে লালন-পালন করেছেন বাবা। কিন্তু সম্প্রতি এক ডিএনএ পরীক্ষায় জানতে পারলেন তারা আসলে তার সন্তান নন। পরে আদালতও এক রায়ে জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি পাঁচ সন্তানেরই জৈবিক পিতা নন।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাহরাইনে চার দশক আগে এক নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এক ব্যক্তি। তাদের দাম্পত্য জীবনে একে একে জন্ম নিয়েছে পাঁচটি সন্তান। সম্প্রতি এক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা যায়, ওই ব্যক্তি শারীরিকভাবে সন্তান জন্মদানে অক্ষম।

পরে সন্দেহ থেকেই স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেয়া সন্তানদের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। এতেই ফাঁস হয় ৪০ বছরের নির্মম প্রতারণা। ঘটনার পর ওই ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হলে বাহরাইনের উচ্চ শরিয়াহ আদালত এক রায়ে জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি পাঁচ সন্তানের কোনো কিছুর সঙ্গেই জৈবিক বা আইনি সম্পর্ক রাখেন না।

রায়ে বলা হয়, বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে শরিয়াহ আইনে পিতৃত্ব বাতিলযোগ্য। আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, সন্তানদের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র থেকে ওই ব্যক্তির নাম মুছে ফেলা হবে।

বাদীর আইনজীবী ইবতিসাম আল সাবাগ বলেন, ৪০ বছর ধরে এই ব্যক্তি সন্তানদের বাবার দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। সম্প্রতি একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গেছে, তিনি সন্তান জন্মদানে সক্ষম নন।

পরে পাবলিক প্রসিকিউশনের ফরেনসিক ল্যাব পরিচালিত পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই পাঁচ সন্তোনের জৈবিক পিতা নন তিনি।

আইনজীবী ইবতিসাম বলেন, এটি শুধুমাত্র আইনের বিষয় নয়, এটি একটি সত্য ঘটনা। তিনি বাবা হিসেবে এত বছর কাটানো সত্ত্বেও কৈবিক বাস্তবতা এখন নিশ্চিত হয়ে গেছে। এছাড়া এই বিষয়ে একটা আইনি ভিত্তির এখন সামনে এল।

জনপ্রিয়

দেশ গড়ার পরিকল্পনা ১৭ বছর সংগ্রাম করেছি : মাহমুদ হাসান খান বাবু

৪০ বছরের দাম্পত্যে নির্মম প্রতারণা: পাঁচ সন্তানই নিজের নয়, জানলেন ডিএনএ পরীক্ষায়

প্রকাশের সময় : ১১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ আগস্ট ২০২৫

 

৪০ বছরের দাম্পত্য জীবন। একে একে তাদের ঘরে এসেছে পাঁচ সন্তান। যাদের নিজের সন্তান বলে আদর-স্নেহ দিয়ে লালন-পালন করেছেন বাবা। কিন্তু সম্প্রতি এক ডিএনএ পরীক্ষায় জানতে পারলেন তারা আসলে তার সন্তান নন। পরে আদালতও এক রায়ে জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি পাঁচ সন্তানেরই জৈবিক পিতা নন।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাহরাইনে চার দশক আগে এক নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এক ব্যক্তি। তাদের দাম্পত্য জীবনে একে একে জন্ম নিয়েছে পাঁচটি সন্তান। সম্প্রতি এক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা যায়, ওই ব্যক্তি শারীরিকভাবে সন্তান জন্মদানে অক্ষম।

পরে সন্দেহ থেকেই স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেয়া সন্তানদের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। এতেই ফাঁস হয় ৪০ বছরের নির্মম প্রতারণা। ঘটনার পর ওই ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হলে বাহরাইনের উচ্চ শরিয়াহ আদালত এক রায়ে জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি পাঁচ সন্তানের কোনো কিছুর সঙ্গেই জৈবিক বা আইনি সম্পর্ক রাখেন না।

রায়ে বলা হয়, বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে শরিয়াহ আইনে পিতৃত্ব বাতিলযোগ্য। আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, সন্তানদের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র থেকে ওই ব্যক্তির নাম মুছে ফেলা হবে।

বাদীর আইনজীবী ইবতিসাম আল সাবাগ বলেন, ৪০ বছর ধরে এই ব্যক্তি সন্তানদের বাবার দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। সম্প্রতি একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গেছে, তিনি সন্তান জন্মদানে সক্ষম নন।

পরে পাবলিক প্রসিকিউশনের ফরেনসিক ল্যাব পরিচালিত পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই পাঁচ সন্তোনের জৈবিক পিতা নন তিনি।

আইনজীবী ইবতিসাম বলেন, এটি শুধুমাত্র আইনের বিষয় নয়, এটি একটি সত্য ঘটনা। তিনি বাবা হিসেবে এত বছর কাটানো সত্ত্বেও কৈবিক বাস্তবতা এখন নিশ্চিত হয়ে গেছে। এছাড়া এই বিষয়ে একটা আইনি ভিত্তির এখন সামনে এল।