, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় রুমে ঘুমাতে গিয়ে সাড়া নেই, পরে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ‘তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, স্ত্রী পলাতক চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি’য় উৎপাদিত দেশে অ্যালকোহলে লিটার প্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় যুব সবুজ উদ্যোক্তাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার সব খাল খননে উদ্যোগ, উন্মুক্ত টেন্ডারে অংশ নিতে পারবেন সবাই

চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪১ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আলোচিত মন্টু মিয়া হত্যা মামলায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও একজন পলাতক ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বারুইপাড়ার মৃত তোয়াক্কেল মণ্ডলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৭), একই এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আসান ওরফে তোতা মিয়া (৪৬) (পলাতক), ডাক্তারপাড়ার লাল চাঁদ মণ্ডলের ছেলে বাবু (৪৬), এবং মল্লিকপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩৯)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৬ মে রাতে জয়রামপুর গ্রামে নিজ ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সশস্ত্র হামলার শিকার হন দিনমজুর মন্টু মিয়া (৩০)। দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের মা হাজেরা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান ওই বছরের ৩০ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেন বিচার চলাকালীন মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিতিতে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত চার জনের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন। রায়ের পর আদালত মামলার নথি নিষ্পত্তি করেন এবং পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ২১০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আলোচিত মন্টু মিয়া হত্যা মামলায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও একজন পলাতক ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বারুইপাড়ার মৃত তোয়াক্কেল মণ্ডলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৭), একই এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আসান ওরফে তোতা মিয়া (৪৬) (পলাতক), ডাক্তারপাড়ার লাল চাঁদ মণ্ডলের ছেলে বাবু (৪৬), এবং মল্লিকপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩৯)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৬ মে রাতে জয়রামপুর গ্রামে নিজ ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সশস্ত্র হামলার শিকার হন দিনমজুর মন্টু মিয়া (৩০)। দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের মা হাজেরা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান ওই বছরের ৩০ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেন বিচার চলাকালীন মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিতিতে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত চার জনের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন। রায়ের পর আদালত মামলার নথি নিষ্পত্তি করেন এবং পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন