, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দীর্ঘ এক যুগ ধরে নির্বাচন বন্ধ ও অবিলম্বে প্রশাসক নিয়োগ ও নির্বাচন দাবিতে হাউলী ইউনিয়নে মানববন্ধন জীবননগর বিএনপি নেতা ময়েনের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন চুয়াডাঙ্গার পরিত্যক্ত জেলখানার নীরব আর্তনাদ চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত কর্মী হত্যা মামলার মূল হোতা মেহেদী হাসানসহ তিনজন গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় ওসির ভয়ে ডিসির কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন এক ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, জামায়াত আমিরের ভাই নিহত চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত-বিএনপির তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১ আহত ৫ কুষ্টিয়ায় বাউল সম্রাট লালন সাঁইজির আখড়াবাড়ীতে দোল উৎসবের প্রস্তুতি শেষ চুয়াডাঙ্গায় ফসলের মাঠে ল্যান্ড মাইন সদৃশ বস্তু, উদ্ধার কাজ করেছে যৌথবাহিনী কার্পাসডাঙ্গায় হিরন বিশ্বাসের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জীবননগর বিএনপি নেতা ময়েনের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : ২৮ মিনিট আগে
  • ২ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দীন ময়েনের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ঠা মার্চ) দুপুর ১২টার সময় জীবননগর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে জীবননগর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁন খোকন বলেন, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে সৃষ্ট সংঘর্ষে সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৫০) ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমরা জীবননগর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তবে আমরা লক্ষ্য করছি যে, ঘটনাটি ব্যক্তি বা পরিবার কেন্দ্রিক হলেও সেটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা হচ্ছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জীবননগর উপজেলা বিএনপি। আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরের দিন সুটিয়া স্কুল মাঠে জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনার মীমাংসার জন্য গত শনিবার রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যায় কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। আমরা জানতে পেরেছি, পরে মেহেদীর বাড়িতে জামায়াত নেতা ইসরাইলের নেতৃত্ব হামলা হয়। পরে মেহেদীর পরিবারের লোকজন তাদের প্রতিহত করে। এসময় বেশ কয়েকজন আহত হন। বিষয়টি জানতে পেরে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন ময়েনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের দেখতে যান। পরে হাসাদাহে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে খবর পেয়ে তারা বেশ কয়েকজন হাসাদাহ ফাজিল মাদ্রাসার সামনে যান। তারা গিয়ে দেখতে পান জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা হাসাদাহ ফাজিল মাদ্রাসা ও জামায়াতে ইসলামীর অফিসের মধ্য বরাবর অবস্থান নিয়েছে। পরে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) এসে জামায়াতের লোকজন হামলা করবে না বলে আশ্বাস দিলে তারা ফিরে আসেন। এদিকে রাত ১২টায় মেহেদীর বাবা জসিম ও হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার থানায় অভিযোগ দিতে আসলে তাদের ওপর জামায়াতের নেতাকর্মীরা হামলা করেন। পরে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা করান। তবে মব সৃষ্টি করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাদের আটক দেখাতে পুলিশকে বাধ্য করান।

এদিকে রাতে হাফিজুর রহমান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেখানে প্রশাসনকে জামায়াতের দুই সংসদ সদস্য চাপ দিয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন ময়েনকে আসামি করান। এই মামলায় হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টারকে আসামি করার জন্য চাপ ও এজহারে নাম দেওয়া হয়েছিল। তবে জানতে পেরেছি তারা সংঘর্ষের সময় উপস্থিত না থাকার সত্ত্বেও তাদের একজনকে মামলায় আসামি করা ও আরেক জনকে নাম এজহারে দিয়ে আসামি করতে চাপ দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা উগ্র আচরণ করছে। নির্বাচনের পর সেই উগ্রতা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা থেকে তারা চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায় বিএনিপ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও মামলা শুরু করেছে। আমরা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তারা এমন আচরণ না থামালে আমাদের রাস্তায় নামা ছাড়া কোনো পথ থাকবে না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবির, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামসহ বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

দীর্ঘ এক যুগ ধরে নির্বাচন বন্ধ ও অবিলম্বে প্রশাসক নিয়োগ ও নির্বাচন দাবিতে হাউলী ইউনিয়নে মানববন্ধন

জীবননগর বিএনপি নেতা ময়েনের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময় : ২৮ মিনিট আগে

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দীন ময়েনের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ঠা মার্চ) দুপুর ১২টার সময় জীবননগর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে জীবননগর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁন খোকন বলেন, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে সৃষ্ট সংঘর্ষে সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৫০) ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমরা জীবননগর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তবে আমরা লক্ষ্য করছি যে, ঘটনাটি ব্যক্তি বা পরিবার কেন্দ্রিক হলেও সেটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা হচ্ছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জীবননগর উপজেলা বিএনপি। আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরের দিন সুটিয়া স্কুল মাঠে জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনার মীমাংসার জন্য গত শনিবার রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যায় কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। আমরা জানতে পেরেছি, পরে মেহেদীর বাড়িতে জামায়াত নেতা ইসরাইলের নেতৃত্ব হামলা হয়। পরে মেহেদীর পরিবারের লোকজন তাদের প্রতিহত করে। এসময় বেশ কয়েকজন আহত হন। বিষয়টি জানতে পেরে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন ময়েনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের দেখতে যান। পরে হাসাদাহে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে খবর পেয়ে তারা বেশ কয়েকজন হাসাদাহ ফাজিল মাদ্রাসার সামনে যান। তারা গিয়ে দেখতে পান জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা হাসাদাহ ফাজিল মাদ্রাসা ও জামায়াতে ইসলামীর অফিসের মধ্য বরাবর অবস্থান নিয়েছে। পরে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) এসে জামায়াতের লোকজন হামলা করবে না বলে আশ্বাস দিলে তারা ফিরে আসেন। এদিকে রাত ১২টায় মেহেদীর বাবা জসিম ও হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার থানায় অভিযোগ দিতে আসলে তাদের ওপর জামায়াতের নেতাকর্মীরা হামলা করেন। পরে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা করান। তবে মব সৃষ্টি করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাদের আটক দেখাতে পুলিশকে বাধ্য করান।

এদিকে রাতে হাফিজুর রহমান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেখানে প্রশাসনকে জামায়াতের দুই সংসদ সদস্য চাপ দিয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন ময়েনকে আসামি করান। এই মামলায় হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টারকে আসামি করার জন্য চাপ ও এজহারে নাম দেওয়া হয়েছিল। তবে জানতে পেরেছি তারা সংঘর্ষের সময় উপস্থিত না থাকার সত্ত্বেও তাদের একজনকে মামলায় আসামি করা ও আরেক জনকে নাম এজহারে দিয়ে আসামি করতে চাপ দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা উগ্র আচরণ করছে। নির্বাচনের পর সেই উগ্রতা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা থেকে তারা চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায় বিএনিপ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও মামলা শুরু করেছে। আমরা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তারা এমন আচরণ না থামালে আমাদের রাস্তায় নামা ছাড়া কোনো পথ থাকবে না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবির, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামসহ বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ