শিমুল রেজা
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে মনোনীত এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর রুহুল আমিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী এদেশে কৃষিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে চায়। দেশ ডিজিটাল হচ্ছে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু আমাদের কৃষক বন্ধুরা পিছিয়ে পড়ছে। আমরা এর অবসান চাই। আমরা মধ্যস্বত্বভোগী প্রশাসনকে উৎখাত করতে চাই এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার পুনরুদ্ধার করতে চাই। সার বিক্রেতাদের দ্বারা কৃষকরা দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী এই সকল সুবিধাভোগী ডিলারদের উৎখাত করতে চায় এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার পুনরুদ্ধার করতে চায়। এদেশে মেট্রোরেল নির্মিত হয়েছে, কিন্তু কৃষকদের জন্য হিমাগার তৈরি করা হয়নি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি কৃষকবান্ধব সরকার গঠন করতে চায়। এটি কৃষকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান করতে চায়। কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতি পুনর্গঠন করতে চায়।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াত কর্তৃক স্থানীয় দামুড়হুদা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে উপজেলা জামায়াতের আমীর নায়েব আলীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আবেদ উদ-দৌলার সঞ্চালনায় আয়োজিত কৃষক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত মানবতার কল্যাণে সেবা করার জন্য রাজনীতিতে এসেছে। আমরা চাঁদাবাজি করব না, কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেব না, দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না, আমরা স্বজনপ্রীতি করব না, কাউকে স্বজনপ্রীতি করতে দেব না। আমরা ভোট চুরি করতে চাই না, ভোট চুরি করে কাউকে এমপি হতে দেব না।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল গফুর, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ বিভাগের সভাপতি আবুল বাশার, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি আব্দুল খালেক, সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল কাশেম জিহাদী ও সেক্রেটারি মাওলানা ইমরুল হাসান, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবু হানিফ, শামসুল হক, জামাত ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল মাল আবদুল হামিদ প্রমুখ। শামসুজ্জোহা, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, নাতিপোতা ইউনিয়নের আমীর ইসমাইল হোসেন, রাছুউল হক ও উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও উপজেলা কৃষক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ