চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সোহানা খাতুন (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে আজ সোমবার (৮ জুন) সকালে তার মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এরআগে রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের পেয়ারাতলা গ্রামের ফুলতলা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহের বিষয়ে পুলিশে খবর দেয়।
নিহত সোহানা খাতুন জীবননগর উপজেলার বেনীপুর গ্রামের মোল্লা আব্দুর জব্বারের মেয়ে। পরিবারসহ তিনি পেয়ারাতলা গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
নিহত স্কুলছাত্রীর মা সালমা খাতুন বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে একসাখে রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায় সোহানা। পরে সে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। সবাই ভেবেছিল সোহানা ঘুমিয়ে পড়েছে। আজ ভোরে তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙা হয়। এ সময় ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় সোহানাকে দেখতে পান তারা।’
এদিকে, খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এটি আত্মহত্যা না পেছনের অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।