, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি’র নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমানের গণসংযোগ ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: আলহাজ্ব মশিউর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দামুড়হুদায় অবহিতকরণ সভা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দর্শনায় দোয়া মাহফিল চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে ভিডিপি দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের কাগজ চাওয়ায় পুলিশকে হুমকি, তিন যুবক আটক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার ২টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের ৪ প্রার্থীর হলফনামা অসহায় প্রতিবন্ধী সুমন আলীর পাশে দাঁড়ালেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান টানা ৫ দিনের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা:তাপমাত্রা ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিলারের সঙ্গে ধাক্কায় যুবক নিহত, আহত ১

চুয়াডাঙ্গায় এক বছরে বিয়ে ৮ হাজার, বিচ্ছেদ ৫৫০০

  • প্রকাশের সময় : ১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ আগস্ট ২০২৫
  • ২০৭ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা জেলায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা। পারিবারিক অস্থিরতা, ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা, পরকীয়া, বাল্যবিবাহ, বনিবনা না হওয়া ও মতবিরোধসহ নানা কারণে ভেঙে পড়ছে দাম্পত্য সম্পর্ক।

চুয়াডাঙ্গা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে জেলায় মোট বিবাহ হয়েছে ৮ হাজার ১০৬টি, আর বিচ্ছেদ ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১টি।

জেলার চার উপজেলার বিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় বিবাহ হয়েছে দুই হাজার ২২৬টি, বিচ্ছেদ দুই হাজার ১৭৭টি। আলমডাঙ্গায় বিবাহ ২ হাজার ৪৩১টি, বিচ্ছেদ এক হাজার ২৩৭টি। দামুড়হুদায় বিবাহ এক হাজার ৮২৮টি, বিচ্ছেদ ৯২১টি। জীবননগরে বিবাহ এক হাজার ৬২১টি, বিচ্ছেদ এক হাজার ৯৬টি। সব মিলিয়ে গত বছর জেলার চার উপজেলায় মোট বিবাহ হয়েছে ৮ হাজার ১০৬টি, আর তালাকের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১ যা মোট বিবাহের প্রায় ৬৮ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজি শামসুল হক জানান, বিবাহবিচ্ছেদের পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে পরকীয়া। এছাড়া সংসারে বনিবনা না হওয়া, স্বামীর প্রবাস জীবন, পারস্পরিক অবিশ্বাসসহ নানা কারণে সংসার ভেঙে যাচ্ছে।

জনপ্রিয়

দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি’র নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমানের গণসংযোগ

চুয়াডাঙ্গায় এক বছরে বিয়ে ৮ হাজার, বিচ্ছেদ ৫৫০০

প্রকাশের সময় : ১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ আগস্ট ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গা জেলায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা। পারিবারিক অস্থিরতা, ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা, পরকীয়া, বাল্যবিবাহ, বনিবনা না হওয়া ও মতবিরোধসহ নানা কারণে ভেঙে পড়ছে দাম্পত্য সম্পর্ক।

চুয়াডাঙ্গা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে জেলায় মোট বিবাহ হয়েছে ৮ হাজার ১০৬টি, আর বিচ্ছেদ ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১টি।

জেলার চার উপজেলার বিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় বিবাহ হয়েছে দুই হাজার ২২৬টি, বিচ্ছেদ দুই হাজার ১৭৭টি। আলমডাঙ্গায় বিবাহ ২ হাজার ৪৩১টি, বিচ্ছেদ এক হাজার ২৩৭টি। দামুড়হুদায় বিবাহ এক হাজার ৮২৮টি, বিচ্ছেদ ৯২১টি। জীবননগরে বিবাহ এক হাজার ৬২১টি, বিচ্ছেদ এক হাজার ৯৬টি। সব মিলিয়ে গত বছর জেলার চার উপজেলায় মোট বিবাহ হয়েছে ৮ হাজার ১০৬টি, আর তালাকের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫২১ যা মোট বিবাহের প্রায় ৬৮ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজি শামসুল হক জানান, বিবাহবিচ্ছেদের পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে পরকীয়া। এছাড়া সংসারে বনিবনা না হওয়া, স্বামীর প্রবাস জীবন, পারস্পরিক অবিশ্বাসসহ নানা কারণে সংসার ভেঙে যাচ্ছে।