, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দামুড়হুদায় পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কারাগারে শ্বশুর দর্শনাবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন নতুন উপজেলা গঠনের ঘোষণার দাবি চুয়াডাঙ্গায় ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্থিরতা, প্রতিবাদে মানববন্ধন চুয়াডাঙ্গায় গলায় ট্যাবলেট আটকে শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমাণ ওষুধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার দামুড়হুদায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযানে চার জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দামুড়হুদায় অবৈধ বাঁধ অপসারণ ও চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে জাল ধ্বংস দামুড়হুদায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত চুয়াডাঙ্গায় গোপনে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি,৩০ হাজার টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় অনলাইন জুয়ার আসরে ডিবির হানা, মাস্টারমাইন্ডসহ ২ জন গ্রেপ্তার

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১২৮ পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গায় অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে ওয়ান এক্সব্যাট এর মাস্টার এজেন্ট শুভংকর কুমার দাস (২৩) এবং তার সহযোগী হাফিজুল ইসলাম ওরফে হ্যাপি (২৫) কে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল , ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোররাতে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর দাসপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সামসুদ্দোহার নেতৃত্বে উপ-পুলিশ পরিদর্শক সৌমিত্র সাহা, মুহিদ হাসান, সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক রজিবুল, রমেন ও আরিফসহ একটি চৌকস দল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর দাসপাড়ারা এলাকার শ্রী দয়াল দাস এর ছেলে শুভংকর কুমার দাস (২৩) ও দামুড়হুদার ডুগডুগি এলাকার সাহাদৎ ওরফে সাধুর ছেলে মোঃ হাফিজুল ইসলাম ওরফে হ্যাপি (২৫),

এসময় তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মূল্যবান স্মার্টফোন ও একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। ফোনগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, সেগুলোতে 1xBet, Reddy, MelBet, MobCash, Telegram, Binance, bKash, SellFin, Nagad এবং Rocket অ্যাপস সক্রিয় অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শুভংকর কুমার দাস ওয়ান এক্সব্যাট জুয়ার প্ল্যাটফর্মের মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি দামুড়হুদা ও আশপাশের এলাকার উঠতি বয়সী তরুণদের টার্গেট করে তাদের ফোনে জুয়াসংক্রান্ত অ্যাপ ইনস্টল করে দিতেন এবং একাউন্ট খুলে জুয়া খেলায় উৎসাহিত করতেন। পরবর্তীতে তাদের মাধ্যমে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে জুয়া পরিচালনা করতেন। এ অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হতো ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে

জনপ্রিয়

দামুড়হুদায় পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কারাগারে শ্বশুর

চুয়াডাঙ্গায় অনলাইন জুয়ার আসরে ডিবির হানা, মাস্টারমাইন্ডসহ ২ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গায় অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে ওয়ান এক্সব্যাট এর মাস্টার এজেন্ট শুভংকর কুমার দাস (২৩) এবং তার সহযোগী হাফিজুল ইসলাম ওরফে হ্যাপি (২৫) কে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল , ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোররাতে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর দাসপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সামসুদ্দোহার নেতৃত্বে উপ-পুলিশ পরিদর্শক সৌমিত্র সাহা, মুহিদ হাসান, সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক রজিবুল, রমেন ও আরিফসহ একটি চৌকস দল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর দাসপাড়ারা এলাকার শ্রী দয়াল দাস এর ছেলে শুভংকর কুমার দাস (২৩) ও দামুড়হুদার ডুগডুগি এলাকার সাহাদৎ ওরফে সাধুর ছেলে মোঃ হাফিজুল ইসলাম ওরফে হ্যাপি (২৫),

এসময় তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মূল্যবান স্মার্টফোন ও একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। ফোনগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, সেগুলোতে 1xBet, Reddy, MelBet, MobCash, Telegram, Binance, bKash, SellFin, Nagad এবং Rocket অ্যাপস সক্রিয় অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শুভংকর কুমার দাস ওয়ান এক্সব্যাট জুয়ার প্ল্যাটফর্মের মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি দামুড়হুদা ও আশপাশের এলাকার উঠতি বয়সী তরুণদের টার্গেট করে তাদের ফোনে জুয়াসংক্রান্ত অ্যাপ ইনস্টল করে দিতেন এবং একাউন্ট খুলে জুয়া খেলায় উৎসাহিত করতেন। পরবর্তীতে তাদের মাধ্যমে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে জুয়া পরিচালনা করতেন। এ অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হতো ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে