শিমুল রেজা,
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আলহাজ্ব মশিউর রহমানের প্রার্থী হতে পারেন-এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে পৌর শহরে বইছে ভোটের হাওয়া। হোটেল, রেস্তোরাঁ, হাট-বাজার এবং চায়ের দোকানগুলোতে বসছে নির্বাচনী আড্ডা। সেখানে প্রতিনিয়ত চলছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা।

পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধুই আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম। মানুষের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো জড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে এলাকার অসহায়, গরীব ও দুঃখী মানুষের যেকোনো বিপদে তিনি সবার আগে এগিয়ে আসেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান। কোনো লোভ-লালসা বা ক্ষমতার মোহে নয়, বরং মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই তার পথচলার মূল শক্তি।

পৌর এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্রভাষক, মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব মশিউর রহমান। একজন সাদা মনের অত্যান্ত ভালো মানুষ। পৌরবাসীর যেকোনো দুর্যোগে তিনি গোপনে ও প্রকাশ্যে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এলাকার তরুণ সমাজ ও মুরুব্বীদের মতে, দর্শনা পৌরসভার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং একটি মাদকমুক্ত ও আদর্শ পৌরসভা গড়তে আলহাজ্ব মশিউর রহমানের মতো একজন সৎ, যোগ্য ও সাহসী মানুষের কোনো বিকল্প নেই। দল-মত নির্বিশেষে পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষ এখন আলহাজ্ব মশিউর রহমান ভাইয়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।

পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করে। বি.কম(অনার্স), এম.কম (হিসাব বিজ্ঞান)ও দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক প্রভাষক, মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব মশিউর রহমান বলেন, লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ঠিক রেখে সঠিকভাবে পরিশ্রম করলে, যে কোন কাজে সফল হওয়া সম্ভব। মানুষের দোয়া এবং ভালোবাসায় আমি পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে অনেক কিছু অর্জন করেছি, তার জন্য মহান আল্লাহ দরবারে লাখো শুকরিয়া। এবার সময় এসেছে আরো বৃহৎ পরিসরে আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার। মহান আল্লাহ যদি আমাকে পৌরসভার মেয়র হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেন তবে কথা দিলাম, আপনাদের আমানতের খেয়ানত হবে না। আপনাদের সম্মান রক্ষার্থে সর্বোচ্চ উজার করে দর্শনা পৌরবাসীর একজন সেবক হিসেবে কাজ করব। এ পৌরসভাকে আধুনিক ও ডিজিটাল হিসেবে গড়ে তুলতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক ভোগান্তি কমাতে পৌরসভার সেবাগুলোকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা হবে। জন্মনিবন্ধন,হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবা অনলাইনে সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন। এবং পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য মডেল পৌরসভা গড়াই আমার লক্ষ্য।

আমার প্রধান লক্ষ্য হবে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। তিনি কিশোর গ্যাং দমন, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার এবং পৌর এলাকায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা চালুর আশ্বাস দেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে এবং দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিগত সময়ে পৌরসভায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। তাই উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে পৌরবাসীকে নতুন দিগন্তের পথে এগিয়ে যেতে হবে।

আলহাজ্ব মশিউর রহমান তিনি তাঁর বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আরও বলেন, ছাত্র জীবন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শের মন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে রাজনীতি করে আসছি। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শের রাজনীতি করে যাবো ইনশাল্লাহ।

দলের সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিগত দিনের আন্দোলন- সংগ্রামে অবদান ও রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করেই দল যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবে। দল যে সিদ্ধান্তই নেবে, তা তিনি সানন্দে মেনে নেবেন বলেও জানান।

আলহাজ্ব মশিউর রহমান বিএনপির এই নেতা সকলের দোয়া, আশীর্বাদ ও সহযোগিতা চেয়ে আর ও বলেন, দর্শনা পৌরসভার 'মেয়র' পদে আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে আমার নেতা বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ভাইয়ের উপদেশ, সুপরামর্শ ও তাঁর সার্বিক দিক নির্দেশনায় দর্শনা পৌরসভাকে সত্যিকারভাবেই সারাদেশের মধ্যে একটি সর্বাধুনিক "মডেল পৌরসভা" হিসেবে আমি গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।